
শেষ আপডেট: 8 December 2019 13:25
১০ মিনিটের মধ্যেই ফের ধাক্কা দেয় চার্চিল। ২৭ মিনিটের মাথায় বিনিলের শট ভাল বাঁচান দেবজিৎ। কিন্তু কর্নার থেকে হেডে গোল করে যান চার্চিলের ডিফেন্ডার প্রিমাস। ২-০ পিছিয়ে পড়ার পর গোলশোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে বাগান। ৩৪ মিনিটের মাথায় নওদম্বা নওরেমকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন কলিফ। স্পট থেকে গোল করে ব্যবধান কমান ফ্রান গঞ্জালেজ। কিন্তু চার মিনিটের মধ্যেই ফের ধাক্কা খায় বাগান। প্রায় ৩৫ গজ দূর থেকে প্লাজার নেওয়া শট দেবজিতের হাতে লেগে ঢুকে যায় গোলে। চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে লিভারপুলের গোলকিপার ক্যারিয়সকে মনে করালেন দেবজিৎ। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঝমাঠ সচল করতে শেখ সাহিলকে নামান কোচ ভিকুনা। আক্রমণভাগে জুড়ে দেন সালভাদর মার্টিনেজ পেরেজ ও শুভ ঘোষকে। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও গোলের মুখ খুলছিল না। ৭১ শতাংশ বল পজিশন নিয়েও কাজের কাজ করতে পারছিলেন না বেইতিয়ারা। অন্যদিকে মাঝেমধ্যেই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছিল চার্চিলের আক্রমণ ভাগ। ৭৫ মিনিটের মাথায় হেডে গোল করে ব্যবধান ৪-১ করেন আবু বকর।
৮০ মিনিটের মাথায় শুভ ঘোষের জোরালো শট ভাল বাঁচান জাফর। তারপরেও বেশ কিছু সুযোগ এসেছিল। ৮৯ মিনিটের মাথায় ডান পায়ের জোরালো শটে মোহনবাগানের দ্বিতীয় গোল করেন শুভ। তারপর আর গোল আসেনি। ২-৪ গোলে হেরেই মাঠ ছাড়তে হয় মোহনবাগানকে।
এদিনের হারের ফলে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে হারতে হল বাগানকে। শুরুটা ভাল হল না কিবু ভিকুনার ছেলেদের। দু'ম্যাচ হয়ে গেলেও জয়ের মুখ দেখলেন না সবুজ-মেরুন সমর্থকরা।