
শেষ আপডেট: 19 December 2020 10:29
জিভে জল আনা মশলাদার খাবারের স্বাদ পেতে হলে চলে আসতে হবে অমৃতসরে। গ্রীষ্মের প্রচন্ড গরমে প্রাণে আরাম দেবে এখানকার খাঁটি দুধের লস্যি। চিকেন কাবাব, পনির টিক্কা, প্রায় প্রতিটা রেস্তোরাঁয় পাওয়া যায়। আবার এক টুকরো বাটার দেওয়া কুলচার স্বাদও মনে রাখার মতো।
কলকাতার মাছের ঝোল -
কলকাতার রসগোল্লা তো সারা পৃথিবী বিখ্যাত। তবে খাঁটি কলকাতা স্টাইলের মাছের ঝোল কিন্তু আর কোত্থাও পাবেন না। এই স্বাদ পেতে হলে ছুটে চলে আসতেই হবে কলকাতায়। বাঙালি রেস্তোরাঁগুলো নানা স্বাদের, নানা রকম মাছের পদ নিয়ে প্রস্তুত থাকে। একবার খেলে জিভে লেগে থাকবে সেই স্বাদ।
বৃন্দাবনের মিষ্টি -
অনেকেই আছেন যাঁরা মিষ্টি, নিরামিষ খাবার খেতে বেশি পছন্দ করেন। আবার অনেকেই পুরোপুরি নিরামিষাশী। তাঁরা বৃন্দাবনে গেলে ভীষণ মজা পাবেন। হরেক রকমের নিরামিষ পদ যেমন থাকে, তেমনই এখানকার মিষ্টি বিখ্যাত। প্যারা, লস্যি, মালপোয়া, রাবড়ি,মাখনের মিছরি এখানকার জনপ্রিয় মিষ্টি।
বেনারসের পান -
বেনারসের পান নিয়ে হিন্দি সিনেমায় এক বিখ্যাত গানই লিখে ফেলা হল। বেনারসে ঘুরতে আসবেন, অথচ পান খাবেন না এমন মানুষের সংখ্যা বোধহয় খুব কম। তাছাড়াও এখানে ঘুরতে ঘুরতে চেনা দইয়ের বড়া, দইয়ের চাটনি সহ গোলগাপ্পা, টমেটোর চাট, ঠান্ডা মালাই অবশ্যই খাবেন।
রাজস্থানি থালি -
রাজস্থান ভ্রমণ মানেই রাজকীয় সব বন্দোবস্ত চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ওখানে বেড়াতে গেলে রাজস্থানি থালির খাবার চেখে দেখাটা কিন্তু মাস্ট। নিরামিষ হোক বা আমিষ, একটা বড় থালা জুরে থাকে অন্তত ১০ থেকে ১৫টা ভিন্ন ভিন্ন পদ। একা হয়তো খেয়ে শেষ করা যায় না। একটা থালি নিলেই দু'জনের ভরপেট খাওয়া হয়ে যাবে।
আহমেদাবাদের ধোকলা -
আহমেদাবাদে মূলত নিরামিষ খাবার পাওয়া যায়। নিরামিষ খাবার পছন্দ না করলেও, এখানকার খাবার খেয়ে কিন্তু প্রেমে পড়ে যেতে পারেন। ধোকলা, ফাফড়া, ডাল ধোকলি, থেপলা এগুলো আহমেদাবাদের বিখ্যাত পদ।
মুম্বাইয়ের পাও ভাজি -
মুম্বাইয়ের নাম নিলেই জুহু বিচের ধারের পাও ভাজির কথা সবার প্রথমে উল্লেখ করতে হয়। নরম পাউরুটির সঙ্গে বাটার দেওয়া পাঁচ মেশালি তরকারি। প্রতিদিন সকালে এই খেয়েই বহু অফিসযাত্রীরা দিন শুরু করেন। সকাল সকাল পাও ভাজির দোকানগুলো খুলেও যায় তাই। সারাদিনই প্রতিটা দোকানে পাও ভাজি খাওয়ার জন্য উপচে-পড়া ভিড় দেখা যায়।
হায়দ্রাবাদের বিরিয়ানি -
হায়দ্রাবাদকে বলা হয় বিরিয়ানির স্বর্গরাজ্য। এখন যদিও প্রতিটা রাজ্যেই বিরিয়ানির দোকান ছেয়ে গেছে। তবুও আসল বিরিয়ানির স্বাদ পেতে হলে চলে আসতে হবে হায়দ্রাবাদে। বিরিয়ানি-প্রেমীদের দুর্দান্ত সময় কাটবে এখানে। শুধু বিরিয়ানি নয়, সঙ্গে চেখে দেখতে পারেন হালিম, কাবাব, কিমা সামোসা।
চেন্নাইয়ের ধোসা -
হালকা, অয়েল ফ্রি খাবার অনেকেই খেতে পছন্দ করেন। তাঁদের জন্য চেন্নাইয়ের খাবার একেবারে উপযুক্ত। ধোসা, ইডলি, উত্থাপম, নানা ফ্লেভারের রাইস, চিলি ভাজ্জি এখানে এসে খাওয়াটা মাস্ট। সকালের ব্রেকফাস্ট থেকে শুরু করে ডিনার পর্যন্ত প্রতিটা সময় খেতে পারেন এতটাই হালকা খাবার এগুলো।