
শেষ আপডেট: 19 December 2020 08:30
অনেকে ধরে নেন, শরীর অতিরিক্ত ক্লান্ত থাকলে, ভালভাবে ঘুম না হলে ঘনঘন হাই তোলে মানুষ। কিন্তু যদি দিনে ঠিকমতো বিশ্রাম নেওয়ার পরে, ক্লান্ত না থাকার পরেও ঘনঘন হাই ওঠে, তাহলে বুঝতে হবে শরীরের কোনও গুরুতর সমস্যা রয়েছে। মেডিকেল সায়েন্সে এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রিসার্চ চললেও হাই তোলার আসল কারণ অনেকেই জানতে পারেননি। তবে অনেকেই বলেন শরীরে ব্লাড অক্সিজেনেশন বাড়িয়ে তোলে এটা। এমনকি মাথাও ঠান্ডা রাখে কখনও কখনও।
ডাক্তাররা বলেন শরীরের স্নায়ু সংক্রান্ত জটিলতা বাড়লে অতিরিক্ত হাই তোলেন অনেকেই। হৃৎপিণ্ডের আশেপাশে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে অনেক সময় হাই ওঠে। এর থেকে স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে। ডাক্তাররা এও বলছেন স্ট্রোকের আগে এবং পরে দুই সময়ই স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হাই তোলেন অনেকে। কিছুক্ষেত্রে দেখা যায় অতিরিক্ত হাই তোলার কারণে কথা বলাও বন্ধ হয়ে যায় কারও কারও। বোবাও হয়ে যান কেউ কেউ। এক্সারসাইজের সময়, দিনে অতিরিক্ত গরমের মধ্যে দাঁড়িয়ে ঘনঘন হাই তোলাকে অনেক সময় হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা ধরে নেন ডাক্তাররা।
হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ছাড়াও অতিরিক্ত হাই তুললে আরও অনেক শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। যেমন -
ব্রেন টিউমার
এপিলেপ্সি
মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস
লিভার ফেইলিওর
এমনকি এর কারণে শরীর স্বাভাবিক তাপমাত্রা ধরে রাখার ক্ষমতাও হারায়।
বিনা কারণে অতিরিক্ত হাই তুললে তার জন্যে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। একমাত্র বিশেষজ্ঞরাই দেখে জানিয়ে দিতে পারবেন হাই তোলার কারণ। হার্টের অসুখ থাকলে সে বিষয়েও খোলাখুলি আলোচনা করতে হবে। কখনও দেখা যায় স্ট্রেস কমানোর পরামর্শ দেন ডাক্তারবাবু। ঠিকমতো বিশ্রাম নিতে বলেন। এসবের পরেও না কমলে নির্দিষ্ট ওষুধের সহায়তা নিতে বলেন ডাক্তারেরা।