Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

পাকিস্তানের বন্যায় ৩০০ ছাড়াল মৃতের সংখ্যা, বহু জায়গায় উদ্ধারকাজই শুরু করা যাচ্ছে না

গত শুক্রবার প্রবল বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ও মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। 

পাকিস্তানের বন্যায় ৩০০ ছাড়াল মৃতের সংখ্যা, বহু জায়গায় উদ্ধারকাজই শুরু করা যাচ্ছে না

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 16 August 2025 19:39

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া (Khyber Pakhtunkhwa) প্রদেশে টানা প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যায় (Flash Flood) মৃতের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেল। শনিবার প্রাদেশিক দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের (পিডিএমএ) তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার প্রবল বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যা ও মেঘভাঙা বৃষ্টিতে বিভিন্ন জেলায় অন্তত ২০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। শনিবার সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৩০৭-এ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বুনের জেলায়, সেখানেই প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮৪ জন।

পিডিএমএ-র তথ্য বলছে, বুন ছাড়াও শাংলা জেলায় মৃত্যু হয়েছে ৩৬ জনের, মানসেহরায় ২৩, সোয়াতে ২২, বাজওরে ২১, বাত্টাগ্রামে ১৫ এবং লোয়ার দিরে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আবোটাবাদে ডুবে মারা গেছে এক শিশু। এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃত ও আহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, জুনের শেষ দিক থেকে পাকিস্তানে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকেই উত্তরাঞ্চল ও খাইবার পাখতুনখোয়ার একাধিক এলাকায় বন্যা, ভূমিধস ও জলবন্দির ঘটনা ঘটছে। বিশেষত ঘনবসতিপূর্ণ ও অপর্যাপ্ত নিকাশিযুক্ত অঞ্চলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নিয়েছে।

স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমস্যা তীব্রতর করে তুলেছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি। খাইবার পাখতুনখোয়ার দুটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জল ঢুকে অচল হয়ে গেছে। অচল মোবাইল পরিষেবা। ফলে উদ্ধারের কাজ পুরোদমে শুরু করা যাচ্ছে না। আধিকারিকদের আশঙ্কা জলবন্দি বহু মানুষ এখনও প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেননি। দুর্গম পাহাড়ের কোলে অবস্থিত গ্রামগুলিতে পৌঁছাতে পারেনি উদ্ধারকারী দল।


```