সারা দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খেলেও ডিহাইড্রেশন কমে না, বরং ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। এ নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ শ্বেতা শাহ।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 10 August 2025 18:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রীষ্ম বা বর্ষা, দুই ঋতুতেই ডিহাইড্রেশন হতে পারে। প্রচণ্ড গরমে বা আর্দ্রতায় শরীর থেকে ঘামের মাধ্যমে জল বেরিয়ে যায়, আবার বমি, ডায়ারিয়া বা পর্যাপ্ত জল না খেলে ডিহাইড্রেশন দেখা দেয়। বর্ষায় আর্দ্রতা বেশি থাকায় ঘামও বেড়ে যায়, ফলে এই সময়েও রেহাই মেলে না।
কিন্তু অনেকের অভিযোগ, সারা দিনে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খেলেও ডিহাইড্রেশন কমে না, বরং ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। এ নিয়ে ইনস্টাগ্রামে পরামর্শ দিয়েছেন পুষ্টিবিদ শ্বেতা শাহ। তাঁর কথায়, সাধারণ জল শরীরের ভেতর দিয়ে খুব দ্রুত বেরিয়ে যায়। সমাধান হিসেবে তিনি বলছেন, জলের সঙ্গে লেবু বা পুদিনার মতো উপাদান মেশাতে। এতে সোডিয়ামের মাত্রা বেড়ে শরীরের জলের ধারণক্ষমতা বাড়ে, প্রস্রাবের হার কমে এবং শরীরে বল আসে।
শ্বেতার মতে, শুধু কতটা জল পান করছেন, তা নয়, কীভাবে জল পান করছেন, সেটাও কিন্তু সমান জরুরি। হাইড্রেশনের জন্য সেরা হল জল, তবে নারকেল জলও অত্যন্ত কার্যকর, কারণ এতে থাকে প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট যা শরীরের জল ও খনিজ অর্থাৎ মিনারেলসের ভারসাম্য রক্ষা করে। পাশাপাশি, ফল ও সবজির রসও ভীষণ হাইড্রেটেড রাখে শরীরকে। কারণ একটাই, এগুলোতে প্রচুর প্রাকৃতিক জল রয়েছে।
তাই জল খেলে লেবু বা পুদিনা মিশিয়ে খান দিনে অন্তত একবার। দইয়ের ঘোলও খেতে পারেন বলে জানাচ্ছেন পুষ্টিবিদ। আর বেশি করে সবুজ শাক, সবজি ও ফল খান।