আমরা প্রায় ৩০০ রান এগিয়ে ছিলাম, আর উইকেট এমন ছিল যে, যদি আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০০ রানও করতাম, তাহলেও পঞ্চম দিনে ৬-৭টি উইকেট নেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হতে পারত।

শুভমান গিল
শেষ আপডেট: 14 October 2025 14:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ঘরের মাঠে হোয়াইটওয়াশ করেছে শুভমান গিলের ভারত। প্রথম টেস্ট শেষ হয়েছিল মাত্র আড়াই দিনে। আমদাবাদে অনুষ্ঠিত সেই টেস্টে ভারত জিতেছিল ইনিংস ও ১৪০ রানে। দিল্লিতে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় টেস্টে (India vs West Indies, Second Test) টিম ইন্ডিয়া জিতলেও ম্যাচ গড়িয়েছে পঞ্চম দিন পর্যন্ত। সাত উইকেটে ভারত জিতেছ ঠিকই, কিন্তু মরণপণ লড়াই করেছে ক্যারিবিয়ানরা।
দ্বিতীয় ইনিংসে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ১২১ রান। তিন উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে যায় মেন ইন ব্লুজ। দ্বিতীয় ইনিংসে অপরাজিত ৫৮ রান করে ভারতকে জয় এনে দেন কেএল রাহুল। চার মেরে দলকে জেতান তিনি।
ভারত দ্বিতীয় টেস্ট জিতলেও অধিনায়ক শুভমান গিলের একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, সেটি হল তিনি কেন ফলো-অনের (Follow-on) সিদ্ধান্ত নিলেন? তাঁর এই সিদ্ধান্তের ফলে ভারতীয় বোলারদের প্রায় ২০০ ওভার বল করতে হয়েছে। বোলারদের ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যখন এত কথা হচ্ছে, তখন কেন এই সিদ্ধান্ত?
মঙ্গলবার দ্বিতীয় টেস্ট শেষে ভারতীয় দলের অধিনায়ক শুভমান গিল (Shubman Gill) বলেন, "এটা আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। দলের অধিনায়কত্ব করা একটি বিশাল অর্জন। দল যেভাবে পারফর্ম করছে তাতে আমি খুবই খুশি। আমারা ফলো-অনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজ কিছু অবিশ্বাস্য ব্যাটিং দেখিয়েছে।" নিজের সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, "আমিও একজন অধিনায়ক হিসাবে একই কাজ করেছি। যখন আমি ক্রিজে আসি, তখন আমি কেবল ব্যাটিংয়ে মনোযোগ দিই। অস্ট্রেলিয়া সফরের জন্য আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত।"
ক্রিকেট বিশ্বে ফলো-অন এখন আর ততোটা জনপ্রিয় নয়। এই প্রসঙ্গে ভারত অধিনায়ককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "আমরা প্রায় ৩০০ রান এগিয়ে ছিলাম, আর উইকেট এমন ছিল যে, যদি আমরা দ্বিতীয় ইনিংসে ৫০০ রানও করতাম, তাহলেও পঞ্চম দিনে ৬-৭টি উইকেট নেওয়া আমাদের জন্য কঠিন হতে পারত।"
দিল্লি টেস্টে, যখন ভারত প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৫১৮ রানের বিশাল সংগ্রহ করে এবং তারপরে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৪৮ রানে অলআউট হয়ে যায়। এরপর কেউই আশা করেনি, দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ অবিশ্বাস্য লড়াই করবে। তবে, দ্বিতীয় ইনিংসে সফরকারীরা অসাধারণ প্রত্যাবর্তন করে একঘেয়ে ম্যাচে প্রাণ সঞ্চার করে। শাই হোপ এবং জন ক্যাম্পবেল ১৭৭ রানের জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে কেবল কঠিন পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার করলেও জেতাতে পারেননি।