Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার

কাজ করছে না মস্তিষ্ক, ফের শারীরিক অবনতি কাম্বলির?

আপাতত কাম্বলিকে চিকিৎসকদের কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

কাজ করছে না মস্তিষ্ক, ফের শারীরিক অবনতি কাম্বলির?

জেনে নিন বিনোদ কাম্বলির হেলথ আপডেট

শেষ আপডেট: 25 December 2024 12:01

দ্য ওয়াল ব্যুরো : টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার বিনোদ কাম্বলির শারীরিক অবস্থার আরও একবার অবনতি হয়েছে। গত শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যাবেলা মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করা হয়। কাম্বলির শারীরিক অবস্থা যথেষ্ট উদ্বেগজনক ছিল। এমনকী, তাঁর মস্তিষ্কের সুস্থতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসক ডক্টর বিবেক দ্বিবেদী জানিয়েছেন, কাম্বলিকে যখন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল, সেইসময় প্রচন্ড জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছিল। সেই জায়গা থেকে কাম্বলি অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কিন্তু, তাঁর মস্তিষ্ক এখনও ঠিকঠাক কাজ করছে না। আপাতত তাঁকে কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী ২-৩ দিনের মধ্যেই তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ডক্টর বিবেক দ্বিবেদী বললেন, 'ওঁর মস্তিষ্ক এখনও স্থিতিশীল নয়। মস্তিষ্কে একাধিক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সেকারণে আপাতত ওঁর রিহ্যাবিলিটেশনের উপরই আমরা বেশি করে জোর দিয়েছি।'

সেইসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেছেন, 'গত শনিবার কাম্বলিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। সেইসময় তিনি কার্যত জীবন-মৃত্যুর লড়াই চালাচ্ছিলেন। যথেষ্ট জ্বর ছিল। মাথা ঘুরছিল। শরীরের গাঁটে-গাঁটে ব্যথা ছিল। উনি ঠিক করে বসতেও পারছিলেন না। আর হাঁটা-চলার অবস্থাতে তো ছিলেনই না। পাশাপাশি তাঁর শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্য়ের অভাব ছিল। পাশাপাশি মূত্রনালীতেও দেখা গিয়েছিল সংক্রমণ। এর উপরে আবার শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ঘাটতি দেখা গিয়েছে। সেকারণে রক্তের প্রবাহ অনেকটাই কমে গিয়েছিল।'


```