গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হল আফগানিস্তানকে। আর এই গ্রুপ থেকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সুপার ফোরে উঠে গেল বাংলাদেশ।
.png.webp)
শ্রীলঙ্কা বনাম আফগানিস্তান
শেষ আপডেট: 19 September 2025 12:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শেষ ওভারে নবির পাঁচ ছক্কা কাজে এল না, আফগানিস্তানের ছুটি করে দিয়ে বাংলাদেশকে সুপার ফোরে তুলে দিল শ্রীলঙ্কা। এবারের এশিয়া কাপে (Aisa cup 2025) আফগানিস্তানকে ডার্ক হর্স মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু তারা নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারল না। প্রথম ম্যাচে হংকংকে বড় ব্যবধানে হারানোর পর দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হেরে যায় বাংলাদেশর কাছে। আর বৃহস্পতিবার ডু-অর-ডাই ম্যাচে তাদের ৬ উইকেটে হারিয়ে দিল শ্রীলঙ্কা (Aisa cup 2025)। ফলে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হল আফগানিস্তানকে। আর এই গ্রুপ থেকে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে সুপার ফোরে উঠে গেল বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার আবুধাবিতে এশিয়া কাপের ম্যাচে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। মহম্মদ নবির ঝড়ো হাফ সেঞ্চুরির ভিত্তিতে ২০ ওভারে আট উইকেটে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। জবাবে শ্রীলঙ্কা ১৮.৪ ওভারে চার উইকেটে ১৭১ রান করে ম্যাচটি জিতে নেয়। কুশল মেন্ডিস অপরাজিত ৭৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। আফগানিস্তানের হয়ে মুজিব উর রহমান, আজমতুল্লাহ উমরজাই, মহম্মদ নবি এবং নূর আহমেদ একটি করে উইকেট নেন। এর আগে, শ্রীলঙ্কার হয়ে নুয়ান তুষারা চারটি উইকেট নেন এবং দুশমন্থা চামিরা, দুনিথ ওয়েলাগে এবং দাসুন শানাকা একটি করে উইকেট পান।
এটি ম্যাচটি ছিল আফগানিস্তানের জন্য ডু-অর-ডাই ম্যাচ। তবে, দলটি এই সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার করতে পারেনি। শ্রীলঙ্কা দুটি ম্যাচে দুটি জয় এবং +১.৫৪৬ এর নেট রান রেট-সহ চার পয়েন্ট নিয়ে সুপার-৪ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ গ্রুপ বি থেকে দ্বিতীয় দল হিসাবে সুপার-৪-এ পৌঁছেছে। এর আগে, ভারত এবং পাকিস্তান গ্রুপ এ থেকে সুপার-৪-এ পৌঁছেছিল।
বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার ইনিংসের শুরুটা ভাল হয়নি। তারা খুব দ্রুত প্রথম উইকেট হারায়। মাত্র ৬ রান করে আউট হন পাথুম নিসাঙ্কা। আজমতুল্লাহ উমরজাইয়ের বলে মুজিব উর রহমানের হাতে ধরা পড়েন তিনি। এরপর মহম্মদ নবির বলে ইব্রাহিম জাদরানের হাতে ধরা পড়েন কামিল মিশারা (৪ রান)। এরপর শ্রীলঙ্কার ইনিংসের দায়িত্ব নেন কুশল মেন্ডিস। তিনি দুর্দান্ত ব্যাটিং করে অপরাজিত ৭৪ রান করেন। তাঁর ইনিংসে ১০টি চার। পাশাপাশি কুশল পেরেরা ২৮ রান, চারিথ আসালঙ্কা ১৭ রান এবং কামিন্দু মেন্ডিস অপরাজিত ২৬ রান করেন।
ম্যাচের শুরুটা খারাপ ছিল আফগানিস্তানেরও। তারা ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় যখন রহমানউল্লাহ গুরবাজ আউট হন তুষারার বলে। এরপর ৩২ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় তারা। নুয়ান তুষারা করিম জানাতকে (১ রান) বোল্ড করেন। তুষারা নিজের তৃতীয় উইকেটি নেন সেদিকুল্লাহ আতালকে (১৮ রান)। দুষ্মন্ত চামিরা চতুর্থ উইকেট নেন দারবিশ রাসুলিকে আউট করে। রাসুলি ৯ রান করেন।
এরপর, ১২তম ওভারে দাসুন শানাকা আজমতুল্লাহ ওমরজাইকে বোল্ড করেন, যিনি মাত্র ৬ রান করেন। ষষ্ঠ উইকেটটির পতন হয় ইব্রাহিম জাদরান আউট হলে। জাদরান ওয়েলালেজের হাতে আউট হন। তিনি করেন ২৪ রান। অধিনায়ক রশিদ খানকেও তুষারা বোল্ড করেন। রশিদ ২৩ বলে ২৪ রান করেন। ১৩৭ রানে সাত উইকেট হারানো আফগানিস্তানকে স্থিতিশীল করেন মহম্মদ নবি। শেষ ওভারে টানা পাঁচটি ছক্কা মেরে স্কোর ১৭০-এর কাছাকাছি পৌঁছে দেন তিনি। নবি মাত্র ২০ বলে তাঁর অর্ধশতক পূর্ণ করেন এবং ২২ বলে ৬০ রান করেন। অবশ্য তাঁর এই ইনিংস কাজে আসেনি।