Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটো

আওয়ামী লিগের 'না মেরে মরব না' কর্মসূচিতে তটস্থ ইউনুস প্রশাসন, ঠেকাতে পথে গোটা সেনাবাহিনী

বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের “ডু-অর-ডাই” কর্মসূচি ঘিরে সঙ্কট, মহম্মদ ইউনুস প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে পুরো সেনাবাহিনী মোতায়েন করেছে বলে সংবাদমাধ্যমে তথ্য এসেছে।
 

আওয়ামী লিগের 'না মেরে মরব না' কর্মসূচিতে তটস্থ ইউনুস প্রশাসন, ঠেকাতে পথে গোটা সেনাবাহিনী

ফাইল ছবি

নিশান্ত চৌধুরী

শেষ আপডেট: 10 November 2025 09:47

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার থেকে নতুন উদ্যমে পথ নেমেছে আওয়ামী লিগ। আজ থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত চার দিন ধরে গোটা বাংলাদেশে বড় আকারে মিটিং মিছিল বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে শেখ হাসিনার দল।

এই দফার আন্দোলনে শেষ দিন অর্থাৎ ১৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় লকডাউনের ডাক দিয়েছে আওয়ামী লিগ।‌ মানুষকে বাড়ি থেকে না বেরিয়ে অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে শেখ হাসিনার পার্টি। ‌১৩ নভেম্বর ঢাকার একটি ট্রাইবুনাল শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলায় সাজা ঘোষনার দিন তারিখ জানাবে। তার আগে প্রতিবাদে দেশকে উত্তাল করতে চায় আওয়ামী লিগ।‌ এজন্য ঘোষিত কর্মসূচির বাইরে একাধিক গোপন এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করবে দলটি মনে করছে ইউনুস প্রশাসন।

আওয়ামী লিগ দিন ১৫ আগে এই কর্মসূচি ঘোষণার পর গোটা বাংলাদেশ জুড়ে নতুন উদ্যমে গ্রেফতার অভিযান শুরু করে অন্তর্বর্তী সরকার। রবিবার রাতে এক বৈঠকে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে গিয়ে শীর্ষ নিরাপত্তা আধিকারিকেরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জানা গিয়েছে নিরাপত্তা এজেন্সি গুলি সরকারকে বলেছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা ঢাকায় গা ঢাকা দিয়ে আছে। যে কোনও মুহূর্তে তারা বড় ধরনের অঘটন ঘটাতে পারে।‌

বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বাহারুল আলম, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষকর্তারা।

বৈঠকে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়। নির্বাচনী কাজে সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দিতে ময়দানে থাকা জওয়ান ও অফিসারদের ৫০ শতাংশকে দিন দর্শক আগে ক্যান্টনমেন্টে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ‌রবিবার রাতে নিরাপত্তা এজেন্সি এবং গোয়েন্দা বাহিনীর রিপোর্টের প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নেয়, ব্যারাকে ফিরে যাওয়া সেনাদের আবার পূর্ণমাত্রায় মাঠে নামানো হবে। ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত গোটা সেনাবাহিনী পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে।‌ আওয়ামী লিগ যাতে জনজীবন অচল করতে না পারে সে কারণেই সেনাবাহিনীকে পূর্ণ শক্তিতে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

সরকারি এই সিদ্ধান্তে বিরক্ত সেনাবাহিনী। সপ্তাহ দুই আগে সিদ্ধান্ত হয় নির্বাচনের দিনগুলি সেনাবাহিনী যাতে উপযুক্ত ভাবে ভূমিকা পালন করতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া জরুরি। অতীতে নির্বাচনে সেনাবাহিনী ময়দানে থাকলেও তারা মূলত পুলিশকে সহায়তা করেছে। আগামী সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীকে পুলিশের সমান্তরালে পূর্ণ ক্ষমতা দিয়ে ব্যবহার করতে চায় সরকার। সেনাবাহিনীর তরফে বলা হয়েছিল এজন্য অফিসার ও জওয়ানদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। এখন আওয়ামী লিগের কর্মসূচি ঠেকাতে ব্যারাকে ফিরে যাওয়ার সেনাদের আবার ময়দানে নামানোর সিদ্ধান্ত হওয়ায় প্রশিক্ষণ নিয়ে চিন্তায় পড়েছে সেনাবাহিনী।

আওয়ামী লিগ নেতৃত্ব ১৩ তারিখ লকডাউন পালন করে সরকারের সঙ্গে অসহযোগের ডাক দিলেও বাস্তবে দল ওই দিন প্রয়োজনে পাল্টা মারের পরামর্শ দিয়েছে দলীয় কর্মীদের। দলের একাধিক নেতা ভার্চুয়াল বৈঠকে এই নির্দেশ দিয়েছেন। ‌আওয়ামী লিগ নেতারা বলছেন, গত ১৫ মাস সরকার এবং বিএনপি ও জামাতের আক্রমণের মুখে বহু নেতাকর্মী জীবন বিপন্ন হয়েছে।‌ প্রাণ হারিয়েছে শত শত কর্মী। জেলখানায় পিটিয়ে মারা হয়েছে ৪০ জনের বেশি আওয়ামী লিগ সমর্থককে। এই পরিস্থিতিতে তাঁরা মনে করছেন পাল্টা মার ছাড়া পরিস্থিতির পরিবর্তন হবে না।

গোয়েন্দা সূত্রে আওয়ামী লিগ নেতাদের হিংসার পথ নেওয়ার খবর পেয়ে নড়েচড়ে বসেছে ইউনুস প্রশাসন। ঢাকার একাধিক সূত্র জানাচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনার দলের চলতি কর্মসূচি নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত। ‌আওয়ামী লিগকে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। হাসিনার সাজা ঘোষণাকে কেন্দ্র করে তার দলের আন্দোলনের জেরে সংসদ নির্বাচন অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে বলে গোয়েন্দা এজেন্সিগুলি সরকারকে সতর্ক করেছে।

এদিকে জুলাই সনদকে ঘিরে বিএনপি ও জামাতের বিভেদ এবং রাজনৈতিক দলগুলির ময়দানে নেমে আন্দোলনের সিদ্ধান্তও ইউনুস প্রশাসনকে বিচলিত করে তুলেছে। সব মিলিয়ে প্রশাসন রীতিমতো তটস্থ।

১৩ নভেম্বর ঢাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া প্রথম মামলার রায়ের দিন-তারিখ ঘোষণা করার কথা। পরদিন শুক্র ও শনিবার বাংলাদেশে সরকারি অফিস-আদালতে সাপ্তাহিক ছুটি। আওয়ামী লিগ নেতাদের ধারণা, পরের রবিবার থেকে যে কোনও দিন হাসিনার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করে দেওয়া হতে পারে। দলও সেই মতো মহম্মদ ইউনুস সরকারকে জবাব দিতে তৈরি হচ্ছে। ওই মামলায় ইউনু সরকার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড দাবি করেছে। ‌ অন্যদিকে আওয়ামী লিগ ওই ট্রাইবুনালকেই বয়কট করার ডাক দিয়ে বলেছে সেখানে আওয়ামী লিগ নেত্রীর বিচার সম্পূর্ণ বেআইনি। ওই ট্রাইবুনালে শুধুমাত্র স্বাধীনতা বিরোধীদের বিচার হওয়ার কথা। এখন উল্টে স্বাধীনতা বিরোধীরা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে শক্তিকে কাঠগড়ায় তুলে মৃত্যুদণ্ড দিতে চাইছে। হাসিনার দল শুধু আওয়ামী লিগ নয়, আপামর বাংলাদেশবাসীকে আহ্বান জানিয়েছে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণার পর প্রতিবাদে সরব হতে।

মানবতা বিরোধী অপরাধের এই মামলায় হাসিনার সঙ্গে সহ-অভিযুক্ত তাঁর সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং সাবেক পুলিশ প্রধান চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সহ-অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে খুন, অপহরণ, পুলিশকে আন্দোলনকারীদের উপর মারণাস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

দলের সর্বোচ্চ নেত্রীর বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণার মুখে দেশে অস্তিত্ব জাহির করার পরিকল্পনা নিয়েছে আওয়ামী লিগ। চলতি বছরের ১২ মে থেকে আওয়ামী লিগের কার্যকলাপ নিষিদ্ধ। তারপর থেকে দফায় দফায় ধরপাকড় চলছে দেশে। আওয়ামী লিগের লাখের বেশি নেতা-কর্মী-সমর্থক কারাবন্দি। দলের দাবি এখন পর্যন্ত প্রায় ৪০ কর্মী জেলে মারা গিয়েছেন। তাঁদের উপর লাগাতার নিপীড়ন, নির্যাতন চালানো হয়।

ধরপাকড় এখনও চলমান। শনিবারই পুলিশ আওয়ামী লিগের এক কর্মীকে গ্রেফতার করে স্রেফ ১৩ নভেম্বর ঢাকায় যেতে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়ায়। গ্রেফতারি এড়াতে জেলা থেকে রাজধানী ঢাকার মেস বাড়িতে থাকছিলেন বহু নেতা-কর্মী। দিন দশ হল পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনী মেস বাড়িগুলিতে অভিযান চালিয়ে বহু নেতা-কর্মীকে আটক করে। ১৩ তারিখ রাজধানী সচল রাখা ইউনুস সরকারের জন্যও বড় চ্যালেঞ্জ। এমনীতে জুলাই সনদ, গণভোট এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, জামাতের মতো দলগুলির বিপরীত অবস্থান ঘিরে অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে আছে ইউনুস সরকার। তার উপর আওয়ামী লিগের ঢাকা অচল করতে লকডাউনের ঘোষণায় প্রশাসন বিচলিত।

সোমবার থেকে গোটা দেশে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। জেলাগুলিতে বাড়তি ফোর্স পাঠানো শুরু হয়েছে আওয়ামী লিগকে ঠেকাতে। ১৩ তারিখের আগে ঢাকায় পৌঁছাতে নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছে হাসিনার দল। আওয়ামী লিগকে আটকাতে ঢাকামুখী রাস্তাগুলিতে ব্যারিকেড তৈরি করছে পুলিশ ও সেনা। অন্যদিকে, ব্যারিকেড ভেঙে রাজধানীতে আসতে নেতা-কর্মীদের উৎসাহিত করেছেন আওয়ামী লিগের নেতারা। ফলে বৃহস্পতিবার হাসিনার দলের সঙ্গে ইউনুসের পুলিশ ও সেনার যৌথ বাহিনীর সংঘাত এবং রক্তপাতের আশঙ্কা উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসনের একাংশ।

এর মধ্যেই আওয়ামী লিগ সোমবার থেকে টানা চারদিন দেশের জেলা, উপজেলাগুলিতে মিটিং, মিছিল করার ডাক দিয়েছে। ১৩ তারিখ ঢাকার মানুষকে লকডাউন পালন অর্থাৎ বাড়ি থেকে না বেরনোর আহ্বান জানিয়েছে হাসিনার দল। দলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, ১৩ নভেম্বর আমরা দেখিয়ে দিতে চাই মানুষ আমাদের পাশে আছে। এত ধরপাকড় সত্ত্বেও আওয়ামী লিগের নেতা-কর্মীরা পথে নামতে প্রস্তুত। নিষিদ্ধ ঘোষণা করে আওয়ামী লিগকে যে নিঃশেষ করা যায়নি সোমবার থেকে ইউনুস সরকার তা টের পাবে। ওই নেতার আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য, বঙ্গবন্ধু কন্যাকে সাজা দেওয়া, ফাঁসির আদেশ শোনানোর পরিণতি ভয়ঙ্কর হবে। আওয়ামী লিগের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের যাবতীয় শক্তি এর বিরোধিতা করবে।  

গত বছর ৫ অগস্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার কয়েক মাস পর থেকেই আওয়ামী লিগ নেতারা রাজপথের আন্দোলনে জোর দিয়েছেন। তবে সোমবার থেকে চারদিনের টানা কর্মসূচি এবং শেষ দিন লকডাউনের ঘোষণা দলের অস্তিত্ব জানান দিতে বড় চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছেন নেতারা। দেশে ও দেশের বাইরে থাকা নেতারা দফায় দফায় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও সক্রিয়তা বাড়িয়ে দিয়েছেন নেতারা।

ওয়াবদুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, বাহাউদ্দীন নাছিম, এসএম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, পঙ্কজ নাথ, ছাত্র নেতা সাদ্দাম হোসেন, শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান প্রমুখ দিনরাত এক করে দেশের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দফায় দফায় ভার্চুয়াল বৈঠক করছেন। ছাত্র লিগ এক বিবৃতিতে বলেছে, ১৩ নভেম্বরের সর্বাত্মক ‘লকডাউন’ কেবল একটি দিন নয়; এটি অবৈধ সরকারের প্রতি বাংলার জনতার চূড়ান্ত আঘাত, সাংবিধানিক-নাগরিক-রাজনৈতিক অধিকার পুনরুদ্ধারের ঐতিহাসিক সূচনা এবং আধুনিক, গণতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রতিফলন। যতক্ষণ না এই অবিচারের সাম্রাজ্যের অবসান হচ্ছে, বর্তমান ঘুণে ধরা সমাজব্যবস্থার ইতি ঘটছে এবং অবৈধ সরকার উৎখাত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত এই সংগ্রাম অপ্রতিরোধ্য গতিতে চলবে। জনতার জয় অনিবার্য।


```