Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার

পেন ড্রাইভ কিনতেই শয়ে শয়ে টাকা খরচ! নয়া আইন মানতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা পুলিশের

পেন ড্রাইভ কিনতেই মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় পুলিশের।

পেন ড্রাইভ কিনতেই শয়ে শয়ে টাকা খরচ! নয়া আইন মানতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা পুলিশের

শেষ আপডেট: 13 February 2025 13:05

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পেন ড্রাইভ কিনতেই মাথা খারাপ হওয়ার জোগাড় পুলিশের। এমনকি নিজেদের বেতনের টাকা খরচ করেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়া যাচ্ছে না। হাজার হাজার টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। কারণ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-এর অধীনে একটি নতুন আইন অনুসারে মামলা সম্পর্কিত সমস্ত প্রমাণ, বিবৃতি, অপরাধের দৃশ্যের রেকর্ডিং এবং ফরেনসিক তথ্য সিডি বা কাগজে লিখে নয়, পেন ড্রাইভে জমা দিতে হবে। 

আইনি প্রক্রিয়া সহজ করতে ডিজিটাইজেশনের রাস্তায় হাঁটলেও স্টোরেজ ডিভাইসগুলি কেনার বোঝা পুলিশের ঘাড়ে এসে পড়েছে, যারা প্রায়শই তাঁদের পকেট থেকে টাকা খরচ করতে বাধ্য হন। মধ্যপ্রদেশের থানাগুলিতে এমন ছবিই দেখা গেছে। একটা ৮ জিবি পেন ড্রাইভের দাম প্রায় ৩০০ টাকা। কিন্তু তদন্তের জন্য বেশিরভাগ সময় একাধিক ডিভাইসের প্রয়োজন হয়। স্বাভাবিকভাবেই নয়া নিয়ম পুলিশের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ভোপালের কোতোয়ালি থানার সাব ইন্সপেক্টর বিএস কালপুরিয়া জানিয়েছেন, একটি মামলার প্রমাণ সংগ্রহের জন্য কমপক্ষে তিনটি পেন ড্রাইভের প্রয়োজন হয়। সবাইকে সেটা মেনে চলতে হবে। এটাই নিয়ম। তবে এই পদ্ধতি খুব ব্যয়বহুল। ভারতীয় প্রমাণ আইনের ((Indian Evidence Act) ধারা ৬৫B(৪) অনুসারে, পেন ড্রাইভ সহ যে কোনও ইলেকট্রনিক্স নির্ভর প্রমাণের সত্যতা যাচাইয়ের একটি সার্টিফিকেট থাকা বাধ্যতামূলক। আগে সিডি ব্যবহার করা হত, কিন্তু সেগুলি খুঁজে পাওয়া যায় না একাধিক সময়। সে কারণেই পুলিশ পেন ড্রাইভ ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। 

২০২৩ সালের ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (BNSS) অডিও-ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে প্রমাণ রেকর্ড করতে হবে। এর মধ্যে অপরাধের দৃশ্যও রেকর্ড করতে হবে। 

এক কনস্টেবল জানান, আগে সিডি ভাল কাজ করত, কিন্তু এখন পেনড্রাইভ কিনতে হয়। কখনও কখনও, নিজেদের বেতন দিয়ে কিনতে হয়। প্রতিটি মামলায় কমপক্ষে তিনটি পেন ড্রাইভের প্রয়োজন, যার দাম ৫০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে। 

২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে, প্রতিটি থানাকে নিজস্ব পেন ড্রাইভ কিনতে হচ্ছে। মামলা দায়েরের সময় সাক্ষীদের বক্তব্য রেকর্ড করা হয় এবং পেন ড্রাইভে সংরক্ষণ করে পরে সমস্ত মামলার নথি-সহ আদালতে পেশ করা হয়।

যদিও এ বিষয়ে অবসরপ্রাপ্ত ডিজিপি এসসি ত্রিপাঠি বলেন, যদি পেন ড্রাইভ বাধ্যতামূলক করা হত, তাহলে তার জন্য ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। সরকার 'লাডলি বেহনা'-এর মতো কল্যাণমূলক প্রকল্পে কোটি কোটি টাকা খরচ করে, তবুও থানাগুলিতে ৩০০ টাকার পেন ড্রাইভের জন্য তহবিল নেই!

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে জানা গেছে যে ১ জুলাই থেকে ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সালের মধ্যে নতুন দণ্ডবিধির অধীনে ৫,৫৬,০০০টি এফআইআর নথিভুক্ত করা হয়েছে - গড়ে প্রতিদিন ৭,৪০০টি এফআইআর। এই হারে, শুধুমাত্র মধ্যপ্রদেশ জুড়ে পুলিশ স্টেশনগুলিকে প্রতি মাসে পেন ড্রাইভের জন্য ২৫ লক্ষ টাকা খরচ করতে হবে।


```