
শেষ আপডেট: 23 March 2024 19:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে আপাদ দৃষ্টিতে সাদামাটা প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল জার্মানির বিদেশ মন্ত্রক। কূটনীতিতে অতিসাধারণ কথা গভীর অর্থবহন করে, যা আর একটি দেশের অস্বস্তির কারণ হয়। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গ্রেফতারি নিয়ে জার্মানির বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবার মন্তব্য করেছিল, ‘আমরা আশাকরি বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা এবং গণতান্ত্রিক রীতিনীতি এই ক্ষেত্রেও অনুসরণ করা হবে।’
শনিবার নয়াদিল্লিতে কর্মরত জামার্নির ভারতীয় দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশনকে দিল্লির পররাষ্ট্রমন্ত্রকে ডেকে পাঠিয়ে ওই মন্তব্যের জন্য তীর্ব্র ভৎসর্না করা হয়। বলা হয় ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানোর চেষ্টা নয়াদিল্লি কোনওভাবেই বরদাস্ত করবে না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল পরে এক্স হ্যান্ডেলে ভারতের প্রতিবাদের কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রকের ব্যাখ্যা, জার্মানির প্রতিক্রিয়া আসলে ভারতের আইন ও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নিয়ে নিয়ে সংশয় প্রকাশের ইঙ্গিত রয়েছে। তাই নয়াদিল্লি কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে।
হালে সিএএ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রক। তখনও ভারত কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল। সতর্ক করেছিল অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলাতে। যদিও কূটনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, ভারতের অভ্যন্তরীণ দুটি বিষয়ে অল্প দিনের ব্যবধানে দুটি দেশের প্রতিক্রিয়া অস্বস্তিকর সন্দেহ নেই। এর আগে ভারতে সংখ্যালঘুদের অধিকার নিয়ে সরব হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ একাধিক দেশ।