Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

সম্ভলের মসজিদে সমীক্ষায় বাধা দিয়েছে মুসলিম কমিটি, আদালতে জানাল এএসআই

হিন্দু পক্ষের দাবি, ১৫২৬ সালে মুঘল শাসক বাবরের নির্দেশে এখানে মন্দির ভেঙে মসজিদ গঠন করা হয়।

সম্ভলের মসজিদে সমীক্ষায় বাধা দিয়েছে মুসলিম কমিটি, আদালতে জানাল এএসআই

সম্ভলের জামা মসজিদ চত্বরে পুলিশ পাহারা।

শেষ আপডেট: 30 November 2024 14:54

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সম্ভলের শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষার কাজ চালাতে প্রবল বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। উত্তরপ্রদেশের একটি আদালতে লিখিত বিবৃতি তথা হলফনামা দিয়ে ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ জানিয়েছে, সমীক্ষাকারী দল কাজ করতে গিয়ে অতীতে জামা মসজিদ কমিটির প্রবল বাধার মুখে পড়েছে বেশ কয়েকবার। আদালতের নির্দেশে উত্তরপ্রদেশের সম্ভালের শাহি জামা মসজিদ আসলে হিন্দু মন্দির ছিল কিনা তা সমীক্ষা করে দেখার কাজ পেয়েছিল এএসআই। যা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে উত্তাল হয়ে উঠেছে ওই এলাকা।

এএসআই আদালতকে জানিয়েছে, ওই সৌধ মন্দির ছিল নাকি মসজিদ তা এখনও বোঝা যায়নি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই মসজিদ কমিটি সেখানে সমীক্ষা চালাতে এমনকী প্রবেশেও বাধা সৃষ্টি করেছিল। পুরাতাত্ত্বিক সর্বেক্ষণের দাবি, প্রবল বাধা সত্ত্বেও যখনই সম্ভব হয়েছে, ততটুকু সমীক্ষার কাজ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন এ ব্যাপারে তাদের সহায়তা করেছে।

স্থানীয় মসজিদ কমিটি এই মসজিদের বেশকিছু সংস্কার করেছে। গত ২৫ জুন শেষবার মসজিদে ঢুকে সমীক্ষাকারী দল এইসব সংস্কারের কাজ প্রত্যক্ষ করেছে বলে আদালতকে হলফনামায় বলা হয়েছে। এএসআই আরও জানিয়েছে, যখনই মসজিদের ভিতরে এধরনের কাজ লক্ষ্য করা গিয়েছে তখনই সংস্থার পক্ষ থেকে স্থানীয় পুলিশকে জানানো হয়েছে। এমনকী আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে শোকজ নোটিসও দাখিল করা হয়েছে।

হিন্দু পক্ষের দাবি অনুযায়ী, ১৫২৬ সালে মুঘল শাসক বাবরের নির্দেশে এখানে মন্দির ভেঙে মসজিদ গঠন করা হয়। তার আগে এখানে হরিহর মন্দির ছিল, যা বিষ্ণুর দশম অবতার কল্কিরূপে পূজিত হন। লিখিত বিবৃতি বা হলফনামায় এএসআই জানিয়েছে, সৌধের মূল কাঠামোর বিভিন্ন অংশ বিকৃতি করা হয়েছে। সংস্থার মতে, মুঘল আমলের এই মসজিদকে ১৯২০ সালে সংরক্ষিত স্থান হিসেবে ঘোষণা করা হলেও ভিতরে বেশ কয়েকবার বিনা অনুমতিতে সংস্কারের প্রমাণ মিলেছে। শুধু একবার নয়, বহুবার মসজিদ কমিটি এই সৌধে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযোজনার সংস্কারকাজ করেছে।


```