
শেষ আপডেট: 31 March 2024 10:48
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইলেক্টোরাল বন্ডকে দু’দিন আগে বিশ্বের বৃহত্তম কেলেঙ্কারি বলে উল্লেখ করেছেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমনের স্বামী অর্থনীতিবিদ পরকলা প্রভাকর। এবার সুপ্রিম কোর্টের এক নামজাদা বিচারপতি বিভি নাগরত্না লোকসভা ভোটের মুখে ফের খুঁচিয়ে তুললেন নোটবন্দি বা ডি-মনিটাইজেশন প্রসঙ্গ।
হায়দরাবাদে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র ও বিচার ব্যবস্থা বিষয়ে এক আলোচনায় বিচারপতি নাগরত্না রাজ্যপালদের ভূমিকা নিয়েও সরব হন। বলেন, অনেক রাজ্যপাল সাংবিধানিক গণ্ডির বাইরে গিয়ে কাজ করছেন। এটা দুর্ভাগ্যের যে দেশের শীর্ষ আদালতকে বারে বারে রাজ্যপালদের সঠিক পথে চলার পরামর্শ দিতে হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০৩০-এ এই বিচারপতির দেশের প্রধান বিচারপতি হওয়ার কথা। যদিও মাত্র ৩৬ দিনের জন্য। তিনিই হবেন দেশের প্রথম মহিলা বিচারপতি।
দেশে গণতন্ত্রের মান এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের এই বিচারপতি বিমুদ্রাকরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, কোনওরকম আলাপ-আলোচনা ছাড়াই ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। হঠাৎ করেই এক সন্ধ্যায় নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করা হয়। বিচারপতির কথায়, বলা হয়েছিল কালো টাকা আটকাতে এই সিদ্ধান্ত। বাস্তবে বিত্তশালীরা কালো টাকা সাদা করে নিয়েছে। অসাধু ব্যবসায়ীরা উপকৃত হয়েছেন। বিপদ বেড়েছে ছোট ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষের।
প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের চার বিচারপতি নোটবন্দির সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছিল। উল্টো পথে হেঁটেছিলেন বিচারপতি নাগরত্না। তিনি ডিসেন্ট নোট দিয়ে বলেছিলেন এর খারাপ ফল দেশবাসীকে ভুগতে হবে। বাস্তবে সেটাই হয়েছে বলে বিরোধী দলগুলিরও অভিযোগ।
বিচারপতি নাগরত্না রাজ্যপালদের বিধানসভায় পাশ হওয়া বিল আটকে রাখাকে সাংবিধানিক ব্যবস্থায় নয়া বিপদেরর প্রবণতা বলে উল্লেখে করেছেন। দৃষ্টান্ত দিতে গিয়ে পাঞ্জাব ও তামিলনাড়ুর রাজ্যপালদের নাম করেছেন। বলেছেন, আদালতকে বলতে হয়েছে, সংবিধান মেনে কাজ করুন। বিল দিনের পর দিন আটকে রাখতে পারেন না রাজ্যপালেরা।