এর আগে ঠিক হয়েছিল, এখন থেকে তৈরি হওয়া সব মোবাইলে এই অ্যাপ ইনবিল্ট করাটা বাধ্যতামূলক।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান, সাধারণ মানুষের পরামর্শ এবং ফিডব্যাক থেকে সরকার বিধি সংশোধনে আগ্রহী।
শেষ আপডেট: 3 December 2025 16:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়ে প্রবল চাপের মুখে বুধবার কেন্দ্র সঞ্চার সাথী অ্যাপ প্রয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়াল। এর আগে ঠিক হয়েছিল, এখন থেকে তৈরি হওয়া সব মোবাইলে এই অ্যাপ ইনবিল্ট করাটা বাধ্যতামূলক। কিন্তু, তারপর থেকে বিরোধী দল সহ বিভিন্ন মহল থেকে চাপ আসতে থাকে। সেই চাপের কাছে মাথানত করে এদিন সরকার এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে সরে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছে।
এর আগে বুধবার লোকসভায় আলোচনা পর্বে যোগাযোগ মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান, সাধারণ মানুষের পরামর্শ এবং ফিডব্যাক থেকে সরকার বিধি সংশোধনে আগ্রহী।
সিন্ধিয়া আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, সঞ্চার সাথী অ্যাপের মাধ্যমে চরবৃত্তির কোনও সম্ভাবনাই নেই। আর সেটা কখনই হবে না। আমরা দেশের নাগরিকদের পরামর্শ এবং ফিডব্যাকের উপর ভরসা রাখি। তার উপরেই নির্ভর করে আমরা বিধি সংশোধনে প্রস্তুত।
সঞ্চার সাথী অ্যাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে মঙ্গলবার তোপ দাগেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। সংসদের শীত অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের সকালে কংগ্রেসের লোকসভার এমপি প্রিয়ঙ্কা বলেন, দেশকে একনায়কতন্ত্রের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এটাকে গুপ্তচর অ্যাপ নাম দিয়ে তিনি আরও বলেন, ফলে আপনারাই বুঝতে পারছেন এই অ্যাপের কাজ কী হবে। দেশের নাগরিকদের অধিকার রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার। আপনাদেরও সকলের অধিকার রয়েছে, ব্যক্তিগত মেসেজ পরিবার, বন্ধুকে পাঠানোর। যার উপর কেউ নজরদারি করতে পারবে না।
এটা শুধু চরবৃত্তিরই কাজ করবে না, প্রিয়ঙ্কা বলেন, সব মিলিয়ে এরা দেশকে সব দিক দিয়ে স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানতে চান যে, সংসদ কেন অচল হয়ে যাচ্ছে। আসলে ওরা চায়ই না, সংসদে মানুষের কথা উঠুক। এটা কোনও গণতন্ত্রই নয়। ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন এই পদক্ষেপে পিছু হটবে কিনা জানতে চাওয়া হলে কেরলের ওয়ানাড়ের সাংসদ বলেন, ওদের পিছু হটতেই হবে।