Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালক

নাগরিক হওয়ার আগেই সনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয়েছিল, 'প্রমাণ' দিল বিজেপি

অমিতের দাবি, ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়, নয়াদিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকার সংশোধন চলাকালীন সনিয়ার নাম তোলা হয়, যেটা ১৯৮০ সালের নির্বাচনের আগে। 

নাগরিক হওয়ার আগেই সনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয়েছিল, 'প্রমাণ' দিল বিজেপি

সনিয়া গান্ধী

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 13 August 2025 16:04

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘ভোট কারচুপিতে নির্বাচন কমিশনের (ECI) সঙ্গে হাত মিলিয়েছে বিজেপি’ - বিরোধীদের অভিযোগের জবাবে বুধবার পাল্টা আক্রমণ শানাল গেরুয়া শিবির (BJP)। দলের নেতা ও প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর দাবি করেন, ভারতীয় নাগরিক হওয়ার আগেই কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতি সনিয়া গান্ধীর (Sonia Gandhi) নাম ৪৫ বছর আগে বেআইনিভাবে ভোটার তালিকায় (Voter List) তোলা হয়েছিল।

অনুরাগের অভিযোগ, ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত - অর্থাৎ ভারতীয় নাগরিক (Indian Citizen) হওয়ার এক বছর আগেই ভোটার তালিকায় ছিলেন সনিয়া। একই অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলেন বিজেপি নেতা অমিত মালব্য। তিনি একটি ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকার অংশবিশেষের ‘ফটোকপি’ পোস্ট করে লেখেন, “যদি এটাকে সরাসরি নির্বাচনী জালিয়াতি না বলা হয়, তবে আর কোনটাকে বলা হবে?”

 

অমিতের দাবি, ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়, নয়াদিল্লি লোকসভা কেন্দ্রের ভোটার তালিকার সংশোধন চলাকালীন সনিয়ার নাম তোলা হয়, যেটা ১৯৮০ সালের নির্বাচনের আগে। আইন অনুযায়ী ভারতীয় নাগরিক না হলে ভোটার হিসেবে নাম তোলার সুযোগ নেই। ১৯৮২ সালে বিতর্কের পর সেই নাম বাদ দেওয়া হয়। তবে ১৯৮৩ সালে নাগরিকত্ব পাওয়ার পর ফের নাম তোলাও নিয়মভঙ্গ বলে দাবি মালব্যের। কারণ তাঁর দাবি, নির্ধারিত শেষ তারিখ ছিল ১ জানুয়ারি, অথচ সনিয়া নাগরিক হন এপ্রিলে।

একই সঙ্গে বিজেপি রাহুল গান্ধীর গত বছরের মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের ভোট জালিয়াতির অভিযোগকেও ‘মিথ্যা ও সংখ্যার কারসাজি’ বলে কটাক্ষ করেন।

কংগ্রেসের জবাব

কংগ্রেস নেতা তারিক আনোয়ার এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “সনিয়া গান্ধী নিজের নাম ভোটার তালিকায় তুলতে কখনও আবেদন করেননি। সে সময়কার নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারাই নাম তুলেছিলেন।” তাঁর এও দাবি, “নির্বাচন কমিশন স্বাধীন প্রতিষ্ঠান, তারা নিজের সিদ্ধান্ত নিতেই পারে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের চাপ দেওয়ার কোনও ব্যাপার নেই।”

বিরোধীদের ভোট কারচুপির দাবি

গত এক বছরে বিরোধীরা বিশেষ করে কংগ্রেস অভিযোগ তুলেছে যে, মহারাষ্ট্র, কর্ণাটক এবং বিহারে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনের আড়ালে ভোটার বাদ দেওয়ার চেষ্টা চলছে। রাহুল গান্ধীর দাবি, শুধু বেঙ্গালুরুর মহাদেবপুরা বিধানসভা এলাকাতেই এক লক্ষের বেশি বেআইনি ভোট ছিল, যার মধ্যে ৮০টি ভোট এক ঘর থেকে। এর জেরে লোকসভা আসন হারিয়েছে কংগ্রেস।

মহারাষ্ট্রে লোকসভা ভোটে হারের কয়েক মাস পর ভোটার তালিকায় এক কোটির বেশি নাম যুক্ত হওয়ার অভিযোগও করেছে বিরোধীরা। পরে বিধানসভা ভোটে বিজেপি জোট জয় পায়। বিহারে চলতি ‘স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন’ নিয়েও তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছে, যা এখন সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন।


```