Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদের

রোগীরা অভিযোগ করলেই কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ, বেঙ্গালুরু হাসপাতালের গুগল রিভিউ নিয়ে নিন্দার ঝড়

বেঙ্গালুরুর আথ্রেয়া হাসপাতালের গুগল রিভিউ এখন সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হচ্ছে। সম্প্রতি হাসপাতালের পরিষেবার মান নিয়ে কয়েকজন রোগী অভিযোগ করেছেন।

রোগীরা অভিযোগ করলেই কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ, বেঙ্গালুরু হাসপাতালের গুগল রিভিউ নিয়ে নিন্দার ঝড়

শেষ আপডেট: 21 February 2024 07:25

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাসপাতালের পরিকাঠামো, পরিষেবার মান নিয়ে অভিযোগ করলেই কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ করছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এমনকী হাসপাতাল সম্পর্কে রোগীরা গুগলে নেগেটিভ ফিডব্যাক দিলেই সেখানে উত্তর আসছে অশালীন ভাষায়। খোদ হাসপাতালের কর্ণধার প্রতিটা নেগেটিভ কমেন্টের উত্তর এমনভাবে দিয়েছেন যা পড়ে হতবাক নেটিজেনরা।

বেঙ্গালুরুর আথ্রেয়া হাসপাতালের গুগল রিভিউ এখন সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হচ্ছে। সম্প্রতি হাসপাতালের পরিষেবার মান নিয়ে কয়েকজন রোগী অভিযোগ করেছেন। গুগল রিভিউতে হাসপাতাল সম্পর্কে নেগেটিভ ফিডব্যাক দিয়েছেন তাঁরা। আর সেখানেই হাসপাতালের কর্ণধার নারায়ণস্বামী স্বামী প্রতিজন রোগীর কমেন্টে এমন অপমানজনক মন্তব্য করেছেন যা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

একজন রোগী রিভিউতে লিখেছিলেন, “এই হাসপাতালে ভুলেও যাবেন না। এরা সঠিক চিকিৎসা করে না। শুধু টাকা হাতানোর তালে থাকে। রোগী যেজন্য ভর্তি হয়েছিল সেই অ্যান্টিবায়োটিকই দেয়নি ডাক্তাররা। চিকিৎসা না করে ফেলে রেখেছিল।” এই ফিডব্যাকের নীচে হাসপাতালের কর্ণধার চাঁচাছোলা ভাষায় লিখেছেন, “আপনি যে স্কুলে ভাল ছাত্র ছিলেন না সেটা বোঝাই যায়। এমন স্বল্প জ্ঞান নিয়ে চলেন কীভাবে মশাই? আপনার বাচ্চার শারীরিক অবস্থা কেমন তা বোঝানো হয়েছিল আপনাকে। তার শরীরে তো ঠেসে ঠেসে অ্যান্টিবায়োটিক ভরা হয়েছিল। সে এত অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েছে যে আর নতুন করে দেওয়ার জায়গা নেই। আপনি যদি আপনার স্বল্প শিক্ষায় অ্যান্টিবায়োটিক কী সেটা বুঝতেন, তাহলে খুব সুবিধা হত।”

অন্য একজন রোগী রিভিউ দিয়েছিলেন, “এই হাসপাতালে প্রয়োজনের বেশি টাকা চায়। টাকা না দিলে অ্যাডমিট করতে চায় না। চিকিৎসা পরিষেবার মান একেবারেই ভাল নয়। রোগী ও তার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে খারাপ ভাবে কথা বলা হয়।” এর উত্তরে হাসপাতালের মালিক লিখেছেন, “কী করা যাবে বলুন, এটা তো ৬ নম্বর গর্ভপাতের অপারেশন, তাই চার্জ বেশিই লাগত একটু। আপনি যাকে ভর্তি করেছেন তার তো ঘন ঘন গর্ভপাত করানো হয়। এইবার করতে হলে ঝুঁকি বাড়ত, তাই বেশি চার্জ করা হয়েছে। আপনার বক্তব্য তাই একেবারেই সঠিক নয়।”


```