Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
পদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতি

অশ্বগন্ধাই সোনার খনি, ভেষজ এই উদ্ভিদ চাষে আন্তর্জাতিক বাজারেও কদর বাড়ছে ভারতীয় চাষিদের

অশ্বগন্ধাই সোনার খনি, ভেষজ এই উদ্ভিদ চাষে আন্তর্জাতিক বাজারেও কদর বাড়ছে ভারতীয় চাষিদের

শেষ আপডেট: 1 October 2023 02:13

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাড়তি দু’পয়সা ঘরে তুলতে গিয়ে লোকসানের মুখ দেখতে হচ্ছে বারবার। কখনও ঝড়ে-বৃষ্টিতে, কখনও অজানা রোগে খেতেই নষ্ট হচ্ছে গম। গম খেত থেকে আর উঠোনে উঠছে না। ঝড়-বৃষ্টি-বন্যা তথা প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানেই খেতের পর খেত ফসল নষ্ট। মাথায় হাত পড়ে যায় চাষিদের। বিকল্প উপায়ে তাই ভেষজ উদ্ভিদ চাষেই বিপুল লাভের মুখ দেখছেন ভারতীয় চাষিরা। এখন আন্তর্জাতিক বাজারেও বিশাল চাহিদা অশ্বগন্ধার।

মার্চ মাসে তিন কুইন্টাল অশ্বগন্ধা বিক্রি করেছিলেন বছর তেতাল্লিশের বদ্রীলাল। তারপর থেকেই তাঁর কপাল খুলে যায়। রোজ স্মার্টফোনে অশ্বগন্ধার বাজার দর চেক করেন তিনি। বদ্রীলাল বলছেন, সবসময়ে এই ভেষজ উদ্ভিদের বাজার দর চড়াই থাকে। ভাল ফলন হলে এবং ঠিকমতো বেচতে পারলে লাখ লাখ টাকা আয় হতে পারে অশ্বগন্ধা থেকে।

নিজের উদ্যোগেই  অশ্বগন্ধা চাষ করছেন বদ্রীলাল। এই গাছের ফল এবং শেকড় ওষুধ হিসেবে কাজে লাগে। স্থানীয় বাজারে ভাল চাহিদাও আছে সে সবের।

কৃষি দফতরের কর্তারাও খুশি চাষিদের বিকল্প চাষে আগ্রহ দেখে। তাঁরা জানাচ্ছেন, ভারতীয় চাষিরা অশ্বগন্ধা চাষে ভাল লাভের মুখ দেখছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অশ্বগন্ধার বিপুল চাহিদা আছে। সাধারণত বিকল্প চাষ করতে রাজি হন না চাষিরা। কিন্তু এ বছর তাঁরা উদ্যোগী হয়ে অশ্বগন্ধা চাষ করেছেন।

মেরেকেটে মাস পাঁচেক জমিতে থাকে অশ্বগন্ধা। পোকার আক্রমণও খুব কম। ফলে এই চাষে খুব বেশি ঝুঁকি নেই। প্রথমে বীজ কিনতে টাকা প্রয়োজন হয় বটে তবে পরে সেই গাছের বীজ থেকেও চাষ করা যায় ওই ফসলের। এই গাছের চাষ করতে বিঘা প্রতি দেড় কিলোগ্রাম বীজের প্রয়োজন হয়। বীজগুলি খুবই হালকা এবং দেখতে ছোট। জমিতে এর বীজ বপন করার আদর্শ সময় হল নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি পর্যন্ত।

বদ্রীলাল বলছেন, ভাল ফলন পেতে হলে চারা রোপণের আগে সেপ্টেম্বর থেকে জমি তৈরি করতে হবে। তৈরি জমিতে বিঘা প্রতি ৪ টনের মতো গোবর সার ও জৈবসার মাটিতে ভালে করে মিশিয়ে দিতে হবে। অথবা প্রতি গর্তে ৫০০ গ্রামের মতো সারের মিশ্রণ দিয়ে গাছ রোপণ করতে হবে। গাছ রোপণের পর ভাল করে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। তাছাড়া সরাসরি বিঘা প্রতি ১ কিলোগ্রাম বীজ ছিটিয়ে চাষ করা যেতে পারে। তবে এই পদ্ধতিতে জমির আগাছা পরিষ্কার ও পরিচর্যার খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি। উঁচু কিংবা ডাঙাজমিতে চাষ হলে সেখানে নিকাশির ব্যবস্থা রাখতে হবে। তবে আলো বাতাসযুক্ত বেলে বা দোঁয়াশ মাটিতে অশ্বগন্ধার উৎপাদন‌‌ ভাল হয়।


```