.jpeg)
কুণাল ঘোষ ও শমীক ভট্টাচার্য।
শেষ আপডেট: 20 January 2025 19:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর মামলায় প্রধান অভিযুক্ত সঞ্জয় রায়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি বিচারক অনির্বাণ দাস স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এটি বিরলতম অপরাধ নয়।
আদালতের সেই রায় সামনে আসতেই পরোক্ষে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। আরজি কর পরবর্তী সময়ে রাজ্যে আরও তিনটি খুন, ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল। ওই তিনটির তদন্তের দায়িত্বে ছিল রাজ্য পুলিশ। তাৎপর্যপূর্ণভাবে তিনটি কেসেই ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আদালত।
ওই প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বলেন, আরজি করে যেভাবে ধর্ষণ খুন করা হয়েছে তা পৈশাচিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী প্রথম থেকে ফাঁসি চেয়েছিলেন, কলকাতা পুলিশ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সঞ্জয়কে গ্রেফতার করেছিল এবং সঞ্জয়ের দোষও প্রমাণিত হয়েছে। দোষীকে কী শাস্তি দেওয়া হবে, সেটা বিচারকের সিদ্ধান্ত।
এরপরই ফারাক্কা, জয়নগর, গুড়াপের প্রসঙ্গ টেনে কুণালের কৌশলী জবাব, "যেকোনও তদন্তে তদন্তকারীদের যথেষ্ট ভূমিকা থাকে। মনে রাখতে হবে, রাজ্য পুলিশ কিন্তু পর পর তিনটি মামলা অত্যন্ত সাফল্যের সঙ্গে অত্যন্ত কম সময়ে শেষ করেছে এবং সেই তদন্তের ভিত্তিতেই অপরাধীদের ফাঁসির সাজা দিয়েছে আদালত।"
পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, আরজি কর মামলায় সিবিআই তদন্ত নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল। এ ব্যাপারে অবশ্য ভিন্ন মত বিজেপির। বিজেপির রাজ্য সভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যর দাবি, "সিবিআই তদন্ত শুরু করার আগেই অনেক তথ্যপ্রমাণ লোপাট করা হয়েছিল। এটা একটা প্রাতিষ্ঠানিক হত্যা। সম্ভবত বিচারকও মনে করেছেন, সঞ্জয় একা দোষী নয়, তাই ফাঁসির সাজা দেয়নি।"