
মহাকুম্ভে শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 21 February 2025 17:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মহাকুম্ভে (Maha Kumbh Mela) রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুক্রবার ত্রিবেণী সঙ্গমে ডুব দিয়ে পুণ্যস্নান সারলেন তিনি। কুম্ভের যে জলের শুদ্ধতা নিয়ে বিতর্ক (Faecal Bacteria Report) তা পান করতেও দেখা যায় তাঁকে। নিজের পুণ্যস্নানের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন বিজেপি বিধায়ক নিজেই।
১৪৪ বছর পর মহাকুম্ভ হচ্ছে। এটি বিরলতম যোগ বলা হয়। এক্স হ্যান্ডেলে নিজের মহাকুম্ভ যাত্রা এবং পুণ্যস্নানের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখতে গিয়ে শুভেন্দু বলেন, ''মা গঙ্গাকে ধন্যবাদ জানাব কারণ তাঁর আশীর্বাদেই আমি মহাকুম্ভে আসতে পারলাম। এরপর নিজের জীবদ্দশায় আর কোনও দিন মহাকুম্ভ চোখে দেখতে পারব না। এটা একটা অসাধারণ অভিজ্ঞতা।'' সম্প্রতি ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের রিপোর্টে বলা হয়েছিল, কুম্ভের জল অতিরিক্ত দূষিত। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দাবি করেছিলেন, সেই জল শুধু স্নান নয়, খাওয়ারও যোগ্য। শুভেন্দুকেও সেই জল পান করতে দেখা যায়।
Today, I had the divine opportunity to perform Puja and do the pious 'snan' at the sacred Triveni Sangam at Prayagraj and be a part of the celebration of spiritual rejuvenation at the Maha 'Amrit' Kumbh Mela.
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) February 21, 2025
A moment of pure devotion & unconditional surrender to the ethos of the… pic.twitter.com/hXdVNU7fKi
গত মঙ্গলবার বিধানসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, 'মহাকুম্ভ এখন মৃত্যুকুম্ভ হয়ে গেছে।' তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কথা ছিল, এটা বড় অপরাধ, এটা ক্ষমার অযোগ্য। মমতাকে কটাক্ষ করে বলেছিলেন, 'আপনার এই মন্তব্যের খেসারত আপনাকে দিতে হবে। মহাকুম্ভের অপমান ভারতবাসী সহ্য করবে না।' এরপর শুভেন্দু পুণ্যস্নানে শুধু গেলেন না, সেই জলও খেলেন।
কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ (সিপিসিবি)-র রিপোর্টে সম্প্রতি বলা হয়েছে, প্রয়াগরাজের সঙ্গমের জলে কিলবিল করছে বিপজ্জনক সব ব্যাকটেরিয়া। যে কারণে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে আদৌ কি তাহলে কুম্ভের জল স্নানের যোগ্য? উত্তরপ্রদেশে মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য রিপোর্টে দাবি করা তথ্য হেলায় উড়িয়ে দিয়েছেন। যোগী আদিত্যনাথ ভারী গলায় জানিয়েছেন, ভুয়ো তথ্য প্রচার করে সনাতন ধর্ম ও কুম্ভের বদনাম করার চেষ্টা চলছে।