Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটিরইচ্ছেশক্তির বারুদে আগুন ধরাল ধোনির পেপ টক! নাইটদের বিঁধে দুরন্ত কামব্যাক নুর আহমেদেরময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকা

আশার আলো স্পেনে, করোনা সংক্রমণের হার কমছে দ্রুত, শেষ ১৯ দিনে সবচেয়ে কম মৃত্যু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আশার আলোর উজ্জ্বলতা ক্রমেই বাড়ছে স্পেনে। গত ১৯ দিনের মধ্যে গত এক দিনে করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে কম মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই দেশটিতে। শনিবার থেকে রবিবারের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৫১০ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনাভাইরাস। তথ্য বলছে, গত ২৩ মার্

আশার আলো স্পেনে, করোনা সংক্রমণের হার কমছে দ্রুত, শেষ ১৯ দিনে সবচেয়ে কম মৃত্যু

শেষ আপডেট: 12 April 2020 11:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আশার আলোর উজ্জ্বলতা ক্রমেই বাড়ছে স্পেনে। গত ১৯ দিনের মধ্যে গত এক দিনে করোনা সংক্রমণে সবচেয়ে কম মানুষের মৃত্যু হয়েছে এই দেশটিতে। শনিবার থেকে রবিবারের মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় ৫১০ জনের প্রাণ কেড়েছে করোনাভাইরাস। তথ্য বলছে, গত ২৩ মার্চের পর থেকে এটাই সবচেয়ে কম মৃত্যউর হিসেব এ দেশে। প্রাণঘাতী নোভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণে এ যাবৎ স্পেনে মারা গেছেন ১৬ হাজার ৯৭২ জন। মোট সংক্রামিত হয়েছেন ১ লক্ষ ৬৬ হাজার মানুষ। ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে আক্রান্তের এই সংখ্যাটাই এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ। যদিও স্পেনে মোট সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা রোগীর সংখ্যা ৬২ হাজার ৩৯১। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে জারি করা যে হাজারো বিধিনিষেধ, তা খানিকটা শিথিল করার কথা ভাবছে স্পেনের সরকার। গোটা দেশ এত দিন ধরে লকডাউন থাকায় অনেক জায়গায় বড় ক্ষতি হয়েছে। অর্থনীতিও ধাক্কা খেয়েছে। সব দিক ভেবে, স্পেনেপ নির্মাণ ও উৎপাদন কারখানার মতো কিছু জায়গায় শ্রমিকদের এবার কাজে ফেরানো হতে পারে বলে জানিয়েছে সরকার।  গোটা বিশ্ব যখন করোনার আতঙ্কে কাঁপছে, স্পেন তখনও মেতে ছিল ফুটবলে। এমন মৃত্যুর ছায়া নেমে আসবে, ঘুণাক্ষরেও টের পাননি কেউ। তাই হয়ত সঠিক সময় লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়নি সে দেশের সরকার। বিপুল সামাজিক মেলামেশায় এখন ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়েছে সংক্রমণ। হাসপাতাল-নার্সিংহোমে ঠাসাঠাসি ভিড়। আইসোলেশন বেডের অভাব, কোয়ারেন্টাইন বেডে নতুন রোগীদের রাখার জায়গা নেই। সংক্রমণ মৃদু হলে ঘরেই কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তার, স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। প্রতিদিন এত সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হচ্ছে যে মর্গে স্থান সংকুলান হচ্ছে না। সেখানেও জমছে লাশের স্তূপ। গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে নোভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটে। ক্রমে চিন থেকে তা ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বের অন্য দেশগুলিতে। চিনে তিন হাজার মানুষ মারা যাওয়ার পরে মৃত্যুমিছিল থামলেও, খারাপ থেকে খারাপতর অবস্থা হয় বাকি সমস্ত দেশের। বিশ্বের ২২০টি দেশ ও অঞ্চলে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৮ লাখ। মারা গেছেন এক লাখ ১০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এই মুহূর্তে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে আমেরিকায়। আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে পাঁচ লক্ষ, মৃত্যু পেরিয়েছে ২০ হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় প্রাণ গেছে ২ হাজার ১০৮ জনের, যা আমেরিকায় একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

```