Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বছরে ২২ লক্ষ্য আয়, শিবপুরের লড়াইয়ে নামার আগে সামনে রুদ্রনীলের সম্পত্তির খতিয়ানভোটের মধ্যেই ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে কী বললেন স্মৃতি ইরানি অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলা

খলিস্তানি জঙ্গিদের জন্য পাঞ্জাব সীমান্তে গ্রেনেড ফেলে গেল পাকিস্তানের ড্রোন

দ্য ওয়াল ব্যুরো : পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার হল ১১ টি পাকিস্তানি গ্রেনেড। পাকিস্তানের ড্রোন সেগুলি ফেলে গিয়েছে বলে নিরাপত্তারক্ষীদের ধারণা। সোমবার পাঞ্জাব পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার জানান, গ্রেনেডগুলি সম্ভবত রাওয়ালপিন্ডির অস্

খলিস্তানি জঙ্গিদের জন্য পাঞ্জাব সীমান্তে গ্রেনেড ফেলে গেল পাকিস্তানের ড্রোন

শেষ আপডেট: 21 December 2020 07:10

দ্য ওয়াল ব্যুরো : পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর সীমান্ত থেকে উদ্ধার হল ১১ টি পাকিস্তানি গ্রেনেড। পাকিস্তানের ড্রোন সেগুলি ফেলে গিয়েছে বলে নিরাপত্তারক্ষীদের ধারণা। সোমবার পাঞ্জাব পুলিশের এক উচ্চপদস্থ অফিসার জানান, গ্রেনেডগুলি সম্ভবত রাওয়ালপিন্ডির অস্ত্র কারখানায় তৈরি হয়েছিল। একটি প্ল্যাস্টিকের বাক্সের মধ্যে ছিল আরগেস টাইপ এইচ জি ৮৪ সিরিজের গ্রেনেডগুলি। গত ১৫ মাসে এই নিয়ে আটবার সীমান্ত থেকে উদ্ধার হল পাকিস্তানের অস্ত্রশস্ত্র ও গ্রেনেড। জঙ্গিদের জন্য সেগুলি পাঠানো হয়েছিল। গত রবিবার সকালে যে ধরনের গ্রেনেডগুলি পাওয়া গিয়েছে, সেগুলি ভিড়ের মধ্যে ছুড়লে অনেকে হতাহত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। ওই গ্রেনেড ফাটার পরে চারপাশে ৩০ মিটার জায়গা জুড়ে শার্পনেল ছড়িয়ে পড়ে। ১৯৯৩ সালের মুম্বই বিস্ফোরণ, ২০০১ সালে সংসদ ভবনে আক্রমণ ও ২০০৮ সালে মুম্বইতে জঙ্গি হামলায় ওই গ্রেনেড ব্যবহৃত হয়েছিল। ২০১৯ সালের ১৯ অগাস্ট প্রথমবার জানা যায়, পাকিস্তানের একটি ড্রোন ভারতে বিপুল পরিমাণে অস্ত্রশস্ত্র ফেলে গিয়েছে। তাঁর মধ্যে ছিল ১০ টি এ কে ফরটি সেভেন রাইফেল, এম পি নাইন রাইফেল, পিস্তল ও ভারতীয় জাল নোট। সন্ত্রাস দমন বিভাগের অফিসাররা বলেন, পাকিস্তান সম্ভবত তার আগেও দীর্ঘদিন ড্রোনের সাহায্যে জঙ্গিদের অস্ত্রশস্ত্র পাঠিয়েছে। প্রথমদিকে আইএসআই অল্পস্বল্প অস্ত্র পাঠাত। পরে অনেক বেশি পরিমাণে পাঠানো শুরু হয়। মুলত খলিস্তানি জঙ্গিদেরই এভাবে সাহায্য করছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা। তবে অনেকসময় কাশ্মীরের জঙ্গিদের জন্যও ড্রোনের মাধ্যমে অস্ত্রশস্ত্র পাঠানো হয়। শনিবার রাতে গুরুদাসপুরে ছাকরি ফাঁড়ি থেকে বিএসএফ কর্মীরা একটি পাকিস্তানি ড্রোনকে দেখতে পান। তাঁরা ড্রোনটিকে লক্ষ্য করে গুলি চালান। কিন্তু তাতে ড্রোনটির ক্ষতি হয়নি। পরদিন সকালে গুরুদাসপুরের ডোরাঙ্গলা অঞ্চলে সালাচ গ্রামে ধুসসি বাঁধের কাছে গ্রেনেডভর্তি প্লাস্টিকের বাক্সটি পাওয়া যায়। জঙ্গিদের অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহের পাশাপাশি গত কয়েকমাসে বার বার নিয়ন্ত্রণরেখায় গোলাগুলি চালিয়েছে পাকিস্তান। আরও বেশি শীত পড়ার আগেই নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে ভারতে। পাকিস্তানের গোলাগুলি থেকে সীমান্তে সুরক্ষার জন্য সাত হাজারের বেশি কংক্রিটের বাঙ্কার তৈরি করেছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীরের পাঁচটি জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর তৈরি হয়েছে বাঙ্কার। ২০১৭ সালেই নিয়ন্ত্রণরেখা ও আন্তর্জাতিক সীমানা বরাবর বাঙ্কার তৈরির কথা বলেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। সে জন্য অর্থও বরাদ্দ হয়। জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসন সূত্রে খবর, নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ৭,৭৭৭টি কংক্রিটের বাঙ্কার তৈরি হয়ে গেছে, এর মধ্যে ৯৩৮টি কমিউনিটি বাঙ্কার। জম্মুর ডিভিশনাল কমিশনার সঞ্জীব বর্মা বলেছেন, পাকিস্তানের সেনাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র সীমান্তের সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালানো নয়, সীমান্ত পারের গ্রামগুলিকেও নিশানায় রেখেছে পাক বাহিনী। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর গ্রামগুলিতে পাক গোলাগুলির কারণে বাড়িঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে যায়। প্রাণহানির ঘটনা ঘটে প্রায়দিনই। তাই সীমান্তে সুরক্ষার জন্যই বাঙ্কার তৈরির কথা ভাবা হয়। সঞ্জীব বর্ম বলেছেন, সাম্বা জেলায় ১৫৬৯টি, জম্মুতে ১১৬১টি, কাঠুয়ায় ১৫১৯টি, রাজৌরিতে ২৬০৩টি ও পুঞ্চে ৯২৫টি বাঙ্কার তৈরি হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। স্টিল ও সিমেন্টের তৈরি বাঙ্কার পাক গোলার থেকে সীমান্তপারের বাসিন্দাদের সুরক্ষা দেবে বলে জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি সেনা বাঙ্কার থেকে পাক বাহিনীর হামলার জবাবও দিতে পারবে ভারতীয় সেনারা।

```