দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনা পরিস্থিতিতে ঝুঁকি যতই বাড়ুক, লকডাউন যতই কড়া হোক, তাঁদের ছুটি নেই। বাড়ি বাড়ি ঘুরে কর্তব্য পালন করতে হচ্ছে পুরকর্মীদের। হটস্পট চিহ্নিত এলাকাগুলিতে স্বাস্থ্য ও অন্যান্য পরিষেবা দেখার দায়িত্বও রয়েছে। সংক্রমণের ঝুঁকি এড়িয়ে দিবারাত্র পরিশ্রম করছেন যাঁরা সেই পুরকর্মীদের পাশে দাঁড়াল সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস।
করোনা লড়াইয়ে দেশ ও দেশবাসীর পাশে থাকার বার্তা আগেই দিয়েছে পূর্ব ভারতের সবচেয়ে বড় গয়নার রিটেল শপ সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। এই লড়াইয়ে অগ্রণী ভূমিকা যাঁদের পুরসভার যেই সব স্বাস্থ্যকর্মী, আশাকর্মী, সাফাইকর্মী থেকে অন্যান্য সদস্য যাঁরা কোভিড মোকাবিলায় প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তাঁদের দিকেই ভরসার হাত বাড়িয়ে দিল সেনকো। সংক্রামিত এলাকাগুলিতে ঘুরে ঘুরে যাঁরা কাজ করছেন সেই পুরকর্মীদের জন্য পর্যাপ্ত পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই)-এর ঘাটতি রয়েছে। সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের তরফে পিপিই পোশাক, সার্জিক্যাল-মাস্ক, হেড-শিল্ড, গ্লাভস, স্যানিটাইজার তুলে দেওয়া হল কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র ফিরহাদ হাকিমের হাতে। এই উদ্যোগে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের পাশে রয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)। সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডসের চেয়ারম্যান শঙ্কর সেন, একজিকিউটিভ ডিরেক্টর শুভঙ্কর সেন ও আইএমএ-র প্রেসিডেন্ট ডাক্তার শান্তনু সেন পুরকর্মীদের জন্য সুরক্ষার যাবতীয় জরুরি সরঞ্জাম তুলে দেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ও ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষের হাতে।
করোনা মোকাবিলায় দেশের পাশে থাকার বার্তা যেমন দিয়েছে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস, তেমনি নিজের সংস্থার কর্মীদেরও আগলে রেখেছে যত্ন করেই। লকডাউনে প্রায় স্তব্ধ গোটা দেশ। জনজীবন থমকে গেছে। সংক্রমণের আতঙ্ক যেমন রয়েছে তেমনি এই জটিল পরিস্থিতিতে পেশাগত দিকেও চিন্তা বেড়েছে মানুষজনের। লকডাউনের শুরু থেকেই তাই সংস্থার চেয়ারম্যান শঙ্কর সেন ও একজিকিউটিভ ডিরেক্টর শুভঙ্কর সেন স্পষ্টতই জানিয়ে দিয়েছেন, এমন পরিস্থিতিতে সঙ্কট যতই বাড়ুক, ব্যবসা যতই ধাক্কা খাক, সংস্থার কর্মচারীরা তাঁদের ন্যায্য বেতনই পাবেন। কোনও কর্মচারীকেই বঞ্চিত করা হবে না। কলকাতা-সহ দেশের যতগুলো মেট্রো শহরে সেনকোর বিপণনি, ফ্র্যাঞ্চাইজি আছে, কোথাও কর্মচারীদের বেতন ছাঁটা হবে না। ব্যবসায় লাভের অঙ্ক কম হলেও, কর্মচারীরা তাঁদের প্রাপ্য ঠিক সময় মতোই পাবেন। এক পয়সাও বেতনে কমতি হবে না।
করোনা ধাক্কার মোকাবিলা করার জন্য সমস্ত দেশবাসীকে একসূত্রে বাঁধার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সঙ্কটের এই সময় কর্মী কিংবা বেতন ছাঁটাই না-করার আর্জিও জানিয়েছেন। সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস গ্রুপের চেয়ারম্যান শঙ্কর সেন বলেছেন, করোনাকে হারাতে লড়াই করছে গোটা বিশ্ব। সংক্রমণ ঠেকাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় খুব ভাল পদক্ষেপ নিচ্ছেন। এই উদ্যোগে কেন্দ্র ও রাজ্যের পাশে আছে সেনকো গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডস। সংস্থার আড়াই হাজারের বেশি কর্মী স্বেচ্ছায় তাঁদের একদিনের বেতন তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে। সুরক্ষা ও স্বাস্থ্য দুইয়ের জন্যই লড়াই করবে সেনকো গ্রুপ।