
শেষ আপডেট: 26 February 2020 18:30
ভারতীয় বাহিনীকে আরও সংগঠিত করতে ইতিমধ্যেই তিন বাহিনীর প্রধানের পদ তৈরি হয়েছে। দেশের নতুন চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ বিপিন রাওয়াত। তিনি একাধারে তিন বাহিনীর যৌথ বিষয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মূল পরামর্শদাতা, অন্যদিকে সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় পরিষদ ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা কমিটির সদস্য। সেনা অভিযান থেকে পরিবহণ, প্রশিক্ষণ, সহায়ক পরিষেবা, যোগাযোগ, মেরামতির বিষয়ে বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোই চাঁর কাজ। চিফ অব ডিফেন্স স্টাফের দায়িত্ব নিয়েই রাওয়াত বলেছিলেন, তিন বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ বাড়তে নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হবে। তারই একটি এই ‘থল সেনা ভবন’।

৩৯ একর জায়গা জুড়ে তৈরি হচ্ছে বহুতল এই সেনা ভবন। খরচ পড়েছে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই নতুন সেনা ভবন তৈরি হতে সময় লাগবে অন্তত পাঁচ বছর। সেনা আবাস, অফিস, বিভিন্ন সেনা রেজিমেন্টের ছোট ছোট দফতর, সবই থাকবে এখানে। এই ভবনে থাকবে ৬০১৪ টি অফিস। ১৭০০ জন সামরিক এবং অসামরিক আধিকারিক একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন। তাছাড়াও ১৩০০ জন কর্মীর বসার জায়গা থাকবে এই ভবনে। রাজনাথ বলেছেন, বর্তমানে সেনার বিভিন্ন দফতর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। সাউথ ব্লকে সেনা হেডকোয়ার্টার ছাড়াও সেনা ভবন, আর কে পুরম ও শঙ্কর বিহার এলাকাতেও সেনা অফিস রয়েছে। ফি দিন চার হাজারেরও বেশি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা করতে হিমশিম খেতে হয়। এই সব সমস্যারই সমাধান হবে যখন নতুন সেনা ভবনে সবকটি অফিস একই ছাতার তলায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে।
এই সেনা ভবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ২৫০ জন নিরাপত্তা কর্মী। তাঁদের বসবাসের জন্য আলাদা কোয়ার্টারও থাকবে এই সেনা ভবনে। থাকবে চার হাজার গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা। এনএইচ-৪৪, প্যারাড রোড ও লিঙ্ক রোড—তিন দিক দিয়েই এই সেনা ভবনের এন্ট্রি ও এক্সিটের ব্যবস্থা করা হবে।