
শেষ আপডেট: 28 January 2019 16:39
এই সময়ে রমেশের এক প্রতিবেশী অমিশ ব্রাউনিকে দেখে তাকে খাবার খাওয়াতে যান৷ আর তখনই তাঁর চোখে ব্রাউনির অস্বাভাবিক আচরণ ধরা পড়ে৷ তিনি পরে জানান, ভীষণ ছটফট করছিল ব্রাউনি৷ খাবার দিলেও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিল৷ খালি জানলার দিকে তাকিয়ে ছিল উৎকণ্ঠিত চোখে৷ হয়তো সে বুঝতে পেরেছিল, রমেশের কিছু একটা হয়েছে৷ আঁচ পেয়েছিল দুর্ঘটনার। আর সেটাই অমিতকে বোঝানোর জন্য বারবার জানলার দিকে ইশারা করছিল সে৷
ব্রাউনির আশঙ্কা যে ঠিক, তা প্রমাণ হল কিছু ক্ষণ পরেই৷ অমিত জানলা দিয়ে ভেতরে উঁকি মারতেই দেখেন, মেঝেতে লুটিয়ে পড়ে আছেন রমেশ৷ দেখেই দরজা ভেঙে দ্রুত ঘরে ঢোকার ব্যবস্থা করেন অমিত ও অন্য প্রতিবেশীরা। তাঁকে নিয়ে সোজা চলে যান হাসপাতালে৷ সময়মতো চিকিৎসা শুরু হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান রমেশ।
সংবাদমাধ্যমের কাছে অমিত বলেন, "ব্রাউনিকে অমন অস্বাভাবিক আচরণ করতে দেখে আমার সন্দেহ হয়৷ খালি জানলার দিকে উঁকি মারার চেষ্টা করছিল ও৷ কিন্তু বাঁধা থাকায়, চেষ্টা করেও ওর দৃষ্টি পৌঁছচ্ছিল না। প্রথমটা আমিও বুঝতে পারিনি। ওকে ওরকম করতে দেখে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাই৷ তার পরেই আমার সন্দেহ হয়। উঁকি দিই জানলায়৷ আর তখনই বুঝলাম কত বড় বিপদ হয়েছে।"
ব্রাউনির জন্য বাবার চিকিৎসা সময়মতো শুরু হওয়ায় তার প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রমেশের ছেলে৷ জানিয়েছেন, "ব্রাউনিই সময় মতো অমিতকে সতর্ক করেছে বলে, বাবার প্রাণ বেঁচে গিয়েছে৷"