Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নববর্ষে রাজ্যপালের মুখে ‘পরিবর্তনের’ ডাক! ‘লাটসাহেব’কে নিয়ে ছেড়ে কথা বললেন না মমতাওস্যালাড খেলেই সুস্বাস্থ্য নয়! ভুলেও কাঁচা খাবেন না এই ৩ সবজি, কারণ জানুনইরানকে কি অস্ত্র দিচ্ছে চিন? শি জিনপিংয়ের চিঠির পর জল্পনা ওড়ালেন ট্রাম্প'দেশু ৭'-এ অনির্বাণ, এবার ‘বাইক অ্যাম্বুলেন্স দাদা’য় কোন নায়কের এন্ট্রিতে চমক?এখনই সুরাহা নেই, রান্নার গ্যাসের আকাল চলতে পারে আরও ৪ বছর! দুশ্চিন্তা বাড়বে ভারতের আমজনতার?লোকসভার আসন বেড়ে হচ্ছে ৮৫০, কতটা লাভ বাংলার? সবচেয়ে বেশি ও কম সিট বাড়ছে কোন রাজ্যে?নববর্ষে কলকাতা সফরে আইওসি-র শীর্ষ কর্তা, এলপিজির বাস্তব পরিস্থিতি দেখতে হাজির গ্যাসের দোকানেও৮ হাজার লিটার গঙ্গাজল, গরু আর রুপোর কলসী! ফিরে দেখা জয়পুরের মহারাজার আজব লন্ডন-সফরগুয়ার্দিওলা-পরবর্তী ফুটবলের নমুনা মেলে ধরেছে কোম্পানি আমলের বায়ার্ন! আজ সামনে রিয়ালআশা ভোঁসলের শেষযাত্রায় যাননি শাহরুখ-সলমন! বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে সামনে এল আসল কারণ

মরতে হয় সেই আমাদেরই! অধিকার ও নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ প্রাক্তন সেনাদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মাসের ১৪ তারিখ। প্রেম দিবস উদযাপনে ব্যস্ত ছিল দেশের নানা প্রান্ত। ভর বিকেলে আচমকা খবর আসে কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে। আত্মঘাতী জঙ্গিহানায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান। ঘটনার দায় স্বীকার করে জইশ-ই-মহম্মদ। ক্ষোভে

মরতে হয় সেই আমাদেরই! অধিকার ও নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ প্রাক্তন সেনাদের

শেষ আপডেট: 4 March 2019 11:06

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত মাসের ১৪ তারিখ। প্রেম দিবস উদযাপনে ব্যস্ত ছিল দেশের নানা প্রান্ত। ভর বিকেলে আচমকা খবর আসে কাশ্মীরের পুলওয়ামা থেকে। আত্মঘাতী জঙ্গিহানায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৪ জন সিআরপিএফ জওয়ান। ঘটনার দায় স্বীকার করে জইশ-ই-মহম্মদ। ক্ষোভে ফেটে পড়ে দেশবাসী। প্রতিশোধের তীব্র দাবি ওঠে দেশ জুড়ে। যদিও এর মধ্যেই বহু মহল থেকে অভিযোগ উঠেছিল সেনা কনভয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না থাকার, কিন্তু বিক্ষোভের আঁচে সে সব নিয়ে তদন্ত এগোয়নি আর। ঘটনার ১২ দিন পরে, ২৬ তারিখে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের বালাকোটে, জইশ শিবিরে সার্জিক্যাল এয়ার স্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারত-পাক সম্পর্কের টানাপড়েন তীব্র হয়ে ওঠে। সীমান্তে একাধিক বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান। জবাব দেয় ভারত। আর এই করে সীমান্তে রোজ মৃত্যু হচ্ছে আরও একাধিক সেনার। এই অবস্থাতেই রবিবার নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে বিক্ষোভ দেখান প্রাক্তন সিআরপিএফ জওয়ানেরা। দাবি করেন, এই জওয়ানদের পরিবারের প্রতিটি অশ্রুবিন্দুর বদলা নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু বদলার প্রতিশ্রুতির বাইরে, সারা বছরের বাস্তব জীবনে এই আধা-সেনারা আসলে কতটা সুযোগ-সুবিধা পান? তাঁদের প্রাপ্য অধিকার দেওয়ার ব্যাপারে কতটা উদ্যোগী হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার? রবিবার নয়াদিল্লির যন্তরমন্তরে ১,৪০০ প্রাক্তন সিআরপিএফ জওয়ান ধর্নায় বসেন। কারও হাতে জাতীয় পতাকা, কারও হাতে বৃষ্টি থেকে বাঁচার ছাতা৷ কিন্তু প্রত্যেকের গলায় একই প্রতিবাদের সুর। তাঁদের অভিযোগ, "সরকার কেবল সেনাবাহিনীকে নানা ভাবে তোল্লাই দিয়ে এসেছে৷ অথচ বারবার আমাদেরই বেঘোরে প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়৷ তা সে সুকমাই হোক আর পুলওয়ামা, মরতে হবে সেই সেনাকেই৷" তাঁরা জানান, সেনা চিরকালই ভিআইপি পরিষেবা পেয়ে এসেছে এই দেশে। তাদের রেশন আলাদা, তাদের বেতন আলাদা, অবসরের পর পেনশনের স্কেলও আলাদা৷ অথচ বাস্তবে ঘটে আরও অনেক কিছুই। সোহনলাল নামের এক আধাসেনার প্রশ্ন, "আমরা গত ১৫ বছরে পেনশন পাইনি৷ তার বেলা? কেউ দেখার নেই আমাদের৷ আমরা কিন্তু এর জবাব দেব মোদী সরকারকে। বুঝিয়ে দেব, আধা-সেনাকে অবহেলা করার ফল কী হতে পারে।" পাঞ্জাবের গুরুদাসপুরের বাসিন্দা সোহনলাল, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রাক্তন জওয়ান। তিনি সিআরপিএফ থেকে অবসর নিয়েছেন ২০০৯ সালে৷ গুরুদাসপুর থেকে দিল্লি এসেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে সামিল হতে৷ বারবার আশ্বাস মিললেও সরকার তাঁদের পাওনাগণ্ডা না মেটানোয় ক্ষুব্ধ তিনি এবং তাঁর সহ-সেনারা। এই আধাসেনাদের প্রায় সকলেরই মূল অভিযোগ, অর্থনৈতিক বৈষম্যের৷ তাঁদের দাবি, সেনাবাহিনীর জন্য এক পদ এক পেনশন শুরু হলেও বঞ্চিত থেকে গিয়েছেন আধা-সেনারা৷ যে হারে সেনাবাহিনীতে বেতন বৃদ্ধি হয়েছে, সেই তুলনায় আধা-সেনার বেতন মোটেই বাড়েনি। বাড়েনি পেনশনও। এর পাশাপাশি রয়েছে সেনা-আধা-সেনার চিরকালীন অসামঞ্জস্যের অভিযোগ। এই দ্বিচারিতার জন্যেও সরকারকেই কাঠগড়ায় তুলছেন প্রাক্তন আধা-সেনারা৷ কনফেডারেশন অফ এক্স প্যারামিলিটারি ফোর্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন-মহাসচিব রণবীর সিংয়ের অভিযোগ, শুধু প্রতিশ্রুতিতে পেট ভরে না৷ তাঁর দাবি, আধা-সেনারা পর্যাপ্ত স্বাস্থ্য পরিষেবার সুযোগ পান না৷ কঠিন পরিস্থিতিতে মোতায়েন আধা-সেনার জন্য থাকে না কোনও বিশেষ ভাতাও৷ তাঁর কথায়, "আধা-সেনাদের সঙ্গে সীমান্তে শুধু দিওয়ালি আর হোলি পালন করলেই হয় না। তাঁদের সমস্যাও বুঝতে হয়৷ মনে রাখতে হয়, পরিবারের সঙ্গে উৎসব পালন করাটাও তাঁদের অধিকার।"

```