.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 25 March 2025 19:04
প্রীতি সাহা
আবর্জনার প্রশ্নে তিলোত্তমা কলকাতার চাপ আরও বাড়ল! সূত্রের খবর, হাওড়ার বেলগাছিয়া (Howrah Belgachia) কাণ্ডের জেরে এবার প্রতিদিন হাওড়া থেকে ৩০০ মেট্রিক টন বর্জ্য আসতে পারে ধাপায়।
পুরসভা সূত্রের খবর, ২০২৪ সাল থেকে পানিহাটির জঞ্জালও ধাপায় ফেলা হচ্ছে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল হাওড়াও। অর্থাৎ প্রতিবেশী পুরসভার জঞ্জালে চাপ আরও বাড়ল কলকাতার।
বেলগাছিয়ার ভাগাড় এলাকায় যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সেখানকার মানুষ। রাতারাতি বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। আকাশের নীচে ত্রিপল খাটিয়ে থাকতে হচ্ছে তাদের। এহেন পরিস্থিতিতে সমস্যার সমাধানে মঙ্গলবার বৈঠকে (Meeting) বসেছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর। সূত্রের খবর, সেখানেই এই আবর্জনা ফেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হচ্ছে বলে খবর। এছাড়াও হাওড়ার বাকি ২৫০ টন বর্জ্য আপাত ফেলা হবে বৈদ্যবাটি পুরসভায়।
পুরসভা সূত্রের খবর, হাওড়া থেকে আসা বর্জ্য আপাতত ধাপার জৈব সার কারখানায় ফেলা হবে। সেখানে জঞ্জাল পুনর্নবীকরণের কাজ হবে।
তবে যেভাবে কলকাতার ধাপায় আবর্জনার চাপ বাড়ছে তাতে এভাবে আর কতদিন প্রতিবেশী পুরসভার জঞ্জালের বোঝা বওয়া যাবে, তা নিয়ে সন্দিহান পুরকর্তারা। পুরসভার এক কর্তা বলেন, আবর্জনার চাপ কমাতে রাজারহাটের পাথরঘাটায় নতুন প্রসেসিং ইউনিট তৈরি হচ্ছে। তবে সেটি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ধাপার চাপ যে বাড়বে তা বলাইবাহুল্য।
কারণ, বর্তমানে বিধাননগর, নব দিগন্ত ইন্ডাস্ট্রিয়াল টাউনশিপ অথরিটি, নিউ টাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটি এবং পানিহাটি মিলিয়ে প্রায় ১০ লক্ষ মেট্রিক টন বর্জ্য ধাপায় জমে রয়েছে। এবার সেই সঙ্গে প্রতিদিন জমা হবে হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকার জঞ্জালও।
এ ব্যাপারে হাওড়ার পুরপ্রশাসক সুজয় চক্রবর্তীর বক্তব্য, "এটা সবটাই প্রাথমিক। আগামী এক থেকে দেড় মাস হাওড়ার আবর্জনা আগরপাড়ায় রাখা হবে। আগামীদিনে বৈদ্যবাটিতে এবং কলকাতার কেএমসি এলাকায় রাখার পরিকল্পনা হয়েছে।"