
শেষ আপডেট: 15 November 2022 13:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: ২৩-এর পঞ্চায়েত নির্বাচনেও (panchayat polls) কি ১৮-এর মতো রক্ত ঝরবে? মঙ্গলকোটের তৃণমূল (TMC) বিধায়কের (MLA) মন্তব্যে এমনই ইঙ্গিত খুঁজে পাচ্ছেন বিরোধীরা। সোমবার মঙ্গলকোটের ভব্যগ্রামে এক প্রকাশ্য সভায় স্থানীয় বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী (Apurba Chowdhury) বলেন, "আগামীদিনে পঞ্চায়েত নির্বাচন আসছে। প্রতিবছরের মতো এবারও একইরকমভাবে পঞ্চায়েত দখল করব। তাতে কে কী বলল, কে কী করল আমার দেখার দরকার নেই।"
প্রকাশ্য সভায় তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য কি আসলে সন্ত্রাসের হুঁশিয়ারি? প্রশ্ন উঠছে। যদিও অপূর্ব চৌধুরী এখানেই থামেননি। উপস্থিত কর্মী-সমর্থকদের ভাল করে পঞ্চায়েত ভোট করার নির্দেশ দেন। তিনি আরও বলেন, "এক গ্রামে একজনই প্রার্থী হবে। যে যোগ্য সেই প্রার্থী হবে।" দলীয় কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "সাংবাদিকদের সামনে কেউ মুখ খুলবেন না।"
সম্প্রতি টেন্ডারে তোলাবাজির অভিযোগ ঘিরে ভাল্যগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতে বিতর্ক দেখা দেয়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, সেই কারণেই সম্ভবত সংবাদমাধ্যমের সামনে মুখ খুলতে বারণ করেছেন বিধায়ক।
এদিকে তৃণমূল বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর এই মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, স্বচ্ছ ভোট হলে মানুষ তৃণমূলকে ভোট দেবে না বুঝতে পেরেই দলীয় কর্মীদের সন্ত্রাসের আশ্রয় নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন অপূর্ব চৌধুরী।
উল্লেখ্য, এই মঙ্গলকোট এতদিন দেখতেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি জেলে যাওয়ার পর পূর্ব বর্ধমানের জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে এলাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মঙ্গলকোটে এখনও অনুব্রত অনুগামীদের দাপট আছে। ফলে শাসকদলে গোষ্ঠীকোন্দলের চোরাস্রোত আছে। তা এড়াতেই বিধায়কের এমন নিদান কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
প্রেমিকাকে খুনের কথা স্বীকার করে ফেসবুকে ভিডিও পোস্ট, তারপরেই আত্মঘাতী ফুলবাড়ির যুবক