দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বিধায়কদের পাঠ দিতে বিধানসভায় এখন তৃণমূল পরিষদীয় দলের বৈঠক চলছে। নতুনদের ‘ক্লাস’ নিচ্ছেন বর্ষীয়ান মন্ত্রী, বিধায়করা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় শোকপ্রস্তাবের পর মুলতুবি হয়ে যায় বিধানসভার অধিবেশন। তারপর ১২টা থেকে নতুন বিধায়কদের নিয়ে পরিষদীয় রাজনীতির ‘কর্মশালা’ শুরু হয়েছে।
বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের মোকাবিলা করতে হবে তা এই কর্মশালার অন্যতম আলোচ্য। বিধানসভায় প্রথমদিনেই রাজ্যপালের ভাষণের সময় বিজেপি বিক্ষোভ দেখিয়েছিল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রথম দিন থেকেই সরকারের প্রতি আক্রমণাত্মক মেজাজ ছড়িয়েছেন। সূত্রের খবর, তাঁদের সঙ্গে লড়াই করতে কী কী কৌশল অবলম্বন করতে হবে, তাও বাতলে দেওয়া হবে এদিন। অধিবেশন কক্ষে কী করা যাবে, আর কী করা যাবে না, তাও শেখানো হচ্ছে।
তৃণমূলের বিধায়ক সংখ্যা ২১০ জন। সূত্রের খবর, এদের প্রত্যেককেই নিয়মিত বিধানসভায় উপস্থিত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে দলের তরফে। কোনও কারণে আসতে না পারলে, তা আগেই জানাতে হবে। জানা গেছে, বিধানসভায় বিরোধীদের এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া যাবে না বলে ইতিমধ্যেই বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে নবনির্বাচিত বিধায়কদের।
শুক্রবার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হয়েছে। এরপরই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দেন পরিষদীয় দলের পক্ষ থেকে নতুন বিধায়কদের শিখিয়ে–পড়িয়ে নেওয়ার। সেই মতো শুরু হয়েছে কর্মশালা। সেখানে নব নির্বাচিত বিধায়কদের আলাদা করে কয়েকটি বিষয় বলে দেওয়া হচ্ছে। এক প্রবীণ বিধায়ক বলেন, নতুন বিধায়কদের অনেক কিছুই শিখতে হবে।’
নতুনদের মধ্যে যেমন রয়েছেন, রাজনীতিক, তেমনই রয়েছেন অভিনেতা–অভিনেত্রী, চলচিত্র পরিচালক, প্রাক্তন ফুটবলার ও ক্রিকেটারও। যার অনেকেই পরিষদীয় রাজনীতির রীতিনীতি জানেন না। তাঁদের আদব কায়দা হাতে কলমে শেখাবেন পার্থ,সুব্রত–সহ তৃণমূলের অন্য বর্ষীয়ানরা।