দ্য ওয়াল ব্যুরো: কদিন আগেই নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়কে 'নন-এমএলএ সিএম' বলে কটাক্ষ করে ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মঙ্গলবারও মুখ্যমন্ত্রীকে একই বিষয়ে কটাক্ষ করেন তিনি। তবে এদিনও নাম মুখে নেননি।
এদিন বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোাধ্যায়ের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ভাষণ দেন। বিরোধী দল বিজেপি তার আগে অধিবেশন কক্ষ বয়কট করে। সভা কক্ষের বাইরে তারা স্পিকার বিমান বন্দ্যোাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হন। তাদের অভিযোগ স্পিকার নিরপেক্ষ নন।
এরপর সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের বিরুদ্ধে সরব হন। বিরোধী দলনেতা বলেন, উনি হেরে গিয়েছেন। তারপরও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ১৯৯৬ সালে কেরলে এলডিএফ জিতলেও ভিএস অচ্যুতানন্দন হেরে যান। ফলে এলডিএফ মুখ্যমন্ত্রী বদল করে। শুভেন্দু এরপর হিমাচল প্রদেশের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, ওখানে বিজেপি জিতলে মুখ্যমন্ত্রী প্রেমকুমার ধুমল হেরে যান। তাঁকে বিজেপি বলে আপনি বর্ষীয়ান নেতা। যোগ্য নেতা। আপনিই মুখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ধুমল রাজি হননি।
শুভেন্দু বলেন, আমার এসব কথাই অপছন্দ হচ্ছে শাসকদলের। তিনি এদিন তৃণমূলের বিধায়কদের কোম্পানি কর্মচারি এবং ল্যাম্পপোস্ট বলে কটাক্ষ করেন সবার বাইরে।
প্রসঙ্গত, হিমাচল প্রদেশেই বিজেপি ফের মুখ্যমন্ত্রী বদল করেছে। গত রবিবার শপথ নিয়েছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। আগের মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভার সদস্য ছিলেন না। তাঁকে ছয়মাসের মধ্যে জিতে আসতে হত। কিন্তু কোভিডের কারণে নির্বাচন কমিশন এখন ভোট করাতে রাজি নয়। এই যুক্তিতে আগের মুখ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করেন।
বিজেপি দেখাতে চাইছে নৈতিক কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দিচ্ছেন না। যদিও তারা সরাসরি এই দাবি তোলেনি এখনও। কিন্তু নাম না করে মুখ্যমন্ত্রীকে বিব্রত করে চলেছে। নানা অবকাশে বিষয়টি তুলে ধরছে। যেমন এদিন বিধানসভার অধিবেশন বয়কটের পর সভার বাইরে এই প্রসঙ্গ তোলেন তিনি।