পাঁচশোর বদলে বেরোচ্ছে দু’হাজারের নোট, দু’হাজার চাইলে পাঁচশো! খেল দেখাচ্ছে এটিএম
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের গণ্ডগোল পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে, তবে এবার বড় কোনও জালিয়াতি নয়, ত্রুটি। তাতে কেউ পাঁচশো টাকা তুলতে গিয়ে পেলেন দু’হাজার টাকার নোট আবার কেউ দশ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে পেলেন মাত্র আড়াই হাজার টাকা।
পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে
শেষ আপডেট: 28 January 2020 14:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের গণ্ডগোল পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কে, তবে এবার বড় কোনও জালিয়াতি নয়, ত্রুটি। তাতে কেউ পাঁচশো টাকা তুলতে গিয়ে পেলেন দু’হাজার টাকার নোট আবার কেউ দশ হাজার টাকা তুলতে গিয়ে পেলেন মাত্র আড়াই হাজার টাকা।
পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের ‘আসানসোল জিটি রোড’ এটিএমে এই গণ্ডগোল ধরা পড়ে মঙ্গলবার। সিকন্দর মিস্ত্রি নামে এক ব্যক্তি পাঁচশো টাকা তুলতে গিয়েছিলেন কিন্তু তিনি এটিএম থেকে পেলেন একটি দু’হাজার টাকার নোট। ভুল করেছেন ভেবে আবার পাঁচশো টাকা তোলার জন্য নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বন করেন কিন্তু দ্বিতীয় বারেও তিনি পান আরও একটি দু’হাজার টাকার নোট। এটিএম থেকে বেরনোর আগেই টাকা লেনদেনের এসএমএস পেয়ে যান। সেখানে দেখাচ্ছে তিনি নির্দিষ্ট ওই এএটিএম থেকে পাঁচশো টাকা করে দু’বারে মোট এক হাজার টাকা তুলেছেন। সিকন্দর মিস্ত্রির অ্যাকাউন্ট রয়েছে ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্কে।
একেবারে একই রকম ঘটনা ঘটেছে সত্যরঞ্জন ভট্টাচার্য নামে এক ব্যক্তির ক্ষেত্রেও, তাঁর অ্যাকাউন্ট রয়েছে ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কে।

উল্টো ঘটনা ঘটেছে সফু আলম নামে অন্য এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে। তিনি ওই এটিএম থেকে দশ হাজার টাকা তুলতে গিয়েছিলেন। পাঁচটি দু’হাজার টাকার নোটের বদলে তিনি পান পাঁচটি পাঁচশো টাকার নোট, অর্থাৎ মোট আড়াই হাজার টাকা। ভুল করেছেন ভেবে তিনি আবার একই ভাবে দশ হাজার টাকা তুলতে যান। পরের বারও একই ব্যাপার। ইতিমধ্যে লেনদেনের এসএমএস পেয়ে যান। সেই এসএমএস অনুযায়ী তিনি দু’বারে দশ হাজার টাকা করে মোট কুড়ি হাজার টাকা তুলেছেন।
এই ঘটনার কথা জানানো হয় পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের নিকটবর্তী শাখায়। সেই শাখা থেকে কর্মীরা এসে সাময়িক ভাবে ওই এটিএম কাউন্টার বন্ধ করে দেন। ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে এখনও কোনও বিবৃতি দেওয়া না হলেও সূত্রের খবর, যান্ত্রিক ত্রুটির জন্যই তা ঘটেছে। এই এটিএমে ঠিক কত জন সমস্যায় পড়েছেন তা এখনও জানা যায়নি।
বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, প্রোগ্রামিংয়ে কোনও গণ্ডগোল হয়ে থাকলে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। আবার যে কর্মী এটিএমের ট্রেতে টাকা ভরেছেন তাঁর ভুলেও এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ব্যাঙ্ক পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
যাঁরা সমস্যায় পড়েছেন তাঁরা নিজেদের ব্যাঙ্কের শাখায় এব্যাপারে যোগাযোগ করছেন।