
শেষ আপডেট: 13 January 2023 06:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের (Kalyani University) লেডিজ হোস্টেলে রাতের অন্ধকারে দুষ্কৃতীদের (miscreant) আনাগোনার অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন ছাত্রীরা (student)। নিরাপত্তার দাবিতে সকালবেলায় হোস্টেলের বাইরে শুরু হয় বিক্ষোভ। খবর পেয়ে হস্টেলে পৌঁছে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্টার ও অন্যান্য আধিকারিকরা। পৌঁছয় পুলিশও।
ছাত্রীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার রাতে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাতঙ্গিনী হোস্টেলে এক দুষ্কৃতী ঢুকে ছাত্রীদের বাথরুমে উঁকি মারছিল। বিষয়টি এক ছাত্রীর নজরে পড়ে যায়। এরপরই শুরু হয় হই হট্টগোল। ভোরের আলো ফুটতেই হস্টেলের বাইরে বেরিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন ছাত্রীরা। তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ছাত্রীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী নাহিদা আফসানা, বৈশাখী বাগদিরা অভিযোগ করেন, মেয়েদের জন্য হস্টেলে খুবই কড়াকড়ি। সাড়ে ছ’টার মধ্যে হস্টেলে ঢুকে পড়তে হয় তাঁদের, কিন্তু নিরাপত্তা নিয়ে আদৌ চিন্তিত নন কর্তৃপক্ষ। হস্টেলে বাইরে দুষ্কৃতী ঢুকে মেয়েদের বাথরুমে উঁকি মারছে। তাঁরা আদতেই এই হস্টেলে নিজেদের নিরাপদ ভাবছেন না।
আরেক ছাত্রী সুস্মিতা দাস অভিযোগ করেন, এরকম ঘটনা প্রায় ঘটে থাকে। হস্টেলে কোনও সিসিটিভি ক্যামেরাও নেই। কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। বিষয়টির সমাধান না হলে আন্দোলনের পথে যাবেন তাঁরা। এদিন প্রবল বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে কল্যাণী থানার পুলিশ।
বিক্ষোভের খবর পেয়েই পৌঁছে যান কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মানস কুমার সান্যাল। লেডিস হোস্টেলে দুষ্কৃতী আনাগোনার ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন তিনি। ছাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে সাত দিনের মধ্যে হস্টেলের নিরাপত্তা বাড়ানোর আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হস্টেলে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা করা হবে ও পুলিশের টহলও বাড়ানো হবে।
ওই আইনজীবীদের প্র্যাকটিস বন্ধ করে দেওয়া উচিত, হাইকোর্ট কাণ্ডে টিম পাঠাচ্ছে ক্ষুব্ধ বার কাউন্সিল