
শেষ আপডেট: 23 September 2023 04:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এ যেন শ্রোডিঙ্গারের বেড়াল! একই বেড়াল একই সঙ্গে জীবিত, আবার মৃতও।
প্রাথমিকের এই দুই শিক্ষকও যেন তাই (primary recruitment scam)। তাঁরা আছেন, আবার একই সঙ্গে নেইও! তাহলে তাঁরা গেলেন কোথায়? সেটাই তো প্রশ্ন।
প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি এবং সিবিআইকে (ED CBI) নির্দেশ দিয়েছিলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত শিক্ষকদের (Corrupted teachers) তালিকা আদালতে পেশ করতে হবে। সম্প্রতি সেই তালিকা প্রকাশ করেছে ইডি। তাতেই দুই শিক্ষকের কথা সামনে এসেছে, যাঁদের নামএকজনের পদবী 'রজক' এবং অন্যজনের পদবী 'শেখ'। তাঁরা ২জনেই ২০২০ সালে নিযুক্ত হয়েছিলেন বলে আদালতে জানিয়েছে ইডি। আশ্চর্যজনকভাবে, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এ ব্যাপারে হলফনামা দিয়ে আদালতে জানিয়েছে, তাদের তথ্যভাণ্ডারে এমন কোনও শিক্ষকের নাম নেই (2 teachers not found)। তাতেই হতবাক আদালত।
তবে ইডি ছাড়াও আরও এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইও সম্প্রতি টেট পাস না করেই চাকরি পাওয়া শিক্ষকদের তালিকা আদালতের সামনে পেশ করেছে। সেই তালিকায় মোট ৯৬ জন শিক্ষকের নাম আছে, তাঁদের মধ্যে এমন ৪ জন রয়েছেন যারা সরাসরি টাকা দিয়ে চাকরি কিনেছিলেন বলে দাবি করেছে সিবিআই। আরও ২৫ জনের সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতি কাণ্ডে জড়িত তাপস মণ্ডল এবং কুন্তল ঘোষের যোগসাজস ছিল বলে দাবি সিবিআইয়ের। এছাড়া আরও ৪৬ জনের নাম দেওয়া হয়েছে যারা ডিএলএড প্রশিক্ষণ না থাকা সত্ত্বেও চাকরি পেয়েছেন।
তবে এই তালিকার বিষয়ে জবাবদিহি করতে গিয়ে কার্যত ঢোক গিলেছে পর্ষদ। তারা জানিয়েছে, এই ৯৬+৪৬ জনকেই নথিপত্র যাচাই করার জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে।
শর্টকাটে ন্যায়বিচার হয় না, সিংহমের মতো ছবি বিপজ্জনক: হাইকোর্টের বিচারপতি