
শেষ আপডেট: 7 November 2022 14:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছিলেন, এই অভিযোগে প্রাথমিকে ২৬৯ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে সুপ্রিম কোর্ট সেই রায়ে অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল। এরপরই সোমবার পর্ষদ (Primary Education Board) জানিয়ে দেয়, চাইলে বাতিল হওয়া ২৬৮ জন চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন।
প্রসঙ্গত, প্রাথমিকে বেআইনিভাবে চাকরি হয়েছে, এই অভিযোগে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। যদিও পরে একজনের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়া হয়। সেই ২৬৮ জনের ভবিষ্যত কী হবে, সেই সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলছে।
তার মধ্যেই এদিন বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে ২২ জন জেলা বিদ্যালয় শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যানকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, যাঁদের চাকরি বাতিল হয়েছিল তাঁরা চাইলে স্কুলে যোগ দিতে পারবেন।
উল্লেখ্য, হাইকোর্টের নির্দেশে পরই পর্ষদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ২৬৯ জনের চাকরি বাতিলের কথা বলেন। চাকরি বাতিল হওয়া শিক্ষকরা হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। দেশের শীর্ষ আদালত হাইকোর্টের রায়ের ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেয়। তারপরই এদিন পর্ষদ সেই পুরনো চাকরি বাতিলের বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নেওয়ার কথা জানায় চিঠিতে।
পর্ষদ এদিন জানায়, হাইকোর্টের নির্দেশের পর যেসব শিক্ষকের চাকরি বাতিল হয়েছেন তাঁরা চাইলে আবার চাকরিতে যোগ দিতে পারবেন। তবে গোটা বিষয়টা সুপ্রিম কোর্টের চূড়ান্ত নির্দেশের ওপর নির্ভর করবে। তবে প্রশ্ন উঠছে, এখনও এই বিষয়ে মামলা চলছে, কোনও চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি, তার আগে এমন সিদ্ধান্ত নিল কেন পর্ষদ? পর্ষদ সূত্রের খবর, আইনজীবীদের সঙ্গে কথা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২০১৭ সালের টেট উত্তীর্ণরা নম্বর জানতে পারবেন আজ রাতেই! ২০১৪ সালে ফলপ্রকাশ চলতি সপ্তাহেই