
শেষ আপডেট: 10 December 2022 11:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: শান্তিনিকেতনে পৌষমেলা (Poush Mela) হবে। তবে দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর মতো করে। কারণ পৌষমেলার আসল ঐতিহ্য যারা বহন করে সেই বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ (Visva Bharati University) গত বছরের মতো এবারেও মেলা আয়োজন করতে রাজি হয়নি। এই পরিস্থিতিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কথা ভেবে এগিয়ে এসেছে প্রশাসন। বীরভূম জেলা পরিষদের উদ্যোগে ডাকবাংলোর মাঠে বসবে পৌষমেলার আসর।
করোনার প্রকোপ তেমন একটা না থাকায় এবার বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষই ঐতিহ্যবাহী পৌষমেলা আয়োজন করুন চেয়েছিল সবাই। এই নিয়ে বোলপুর পুরসভার সঙ্গে বিশ্বভারতী আলোচনাতেও বসে। কিন্তু সমস্ত সাহায্যের আশ্বাস দিলেও নানান অজুহাতে বিশ্বভারতী পৌষমেলা করতে রাজি হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এরজন্য অনেকেই উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীকে কাঠগড়ায় তোলে।
এদিকে শান্তিনিকেতন সহ বীরভূমের বহু ছোট ছোট ব্যবসায়ী ও লোকশিল্পী এই পৌষমেলার দিকে তাকিয়ে বসে থাকেন। মেলা না হলে তাঁদের বড় ক্ষতি হয়ে যাবে। এই অবস্থায় আসরে নামে প্রশাসন ও শাসকদল তৃণমূলের নেতারা। শুক্রবার রাতেই বোলপুরের ডাকবাংলো মাঠ সহ পার্শ্ববর্তী জেলা পরিষদের মাঠ, স্টেডিয়াম পরিদর্শন করেন তাঁরা। ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা। এরপর শনিবার দুপুরে প্রশাসনিক বৈঠক বসে। সেখানে ঠিক হয়, বিশ্বভারতী যেখানে পৌষমেলা করত তার থেকে মাত্র ৩০০ মিটার দূরে এবার মেলার আসর করা হবে। ডাকবাংলো মাঠ সহ পার্শ্ববর্তী জেলা পরিষদের মাঠ, স্টেডিয়াম নিয়ে বড় করে মেলা করা হবে। ২৩ ডিসেম্বর মেলা শুরু হবে, চলবে ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত মেলা চলবে।
রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা জানান, মেলায় ৫০০ এরও বেশি স্টল থাকবে। সকলকে সুযোগ দেওয়া হবে। নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। কলকাতা থেকেও শিল্পীরা আসবে। ২৪ ডিসেম্বর সন্ধেয় এই নয়া পৌষমেলায় আতসবাজির প্রদর্শনী হবে বলেও মন্ত্রী জানিয়েছেন।
সবমিলিয়ে পৌষমেলা হওয়ার খবরে খুশি শান্তিনিকেতন ও বোলপুরের মানুষ। তবে বিশ্বভারতী এই মেলার আয়োজক হলে ষোলকলা পূর্ণ হত বলে মনে করছেন তাঁরা।
পরীক্ষায় মিথ্যে নকলের অভিযোগ এনেছিল বান্ধবী! লজ্জায় 'আত্মঘাতী' জলপাইগুড়ির ছাত্রী