Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
নৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহেরগ্রাহকের পকেট বাঁচাতে ভারি খেসারত দিচ্ছে তেল কোম্পানিগুলি! প্রতিদিন লোকসান ১,৬০০ কোটির

কারও করোনা হলে নিজের বাড়িতেই আইসোলেটেড থাকুন পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে, হাসপাতালে যেতে হবে না: মুখ্যমন্ত্রী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড হাসপাতালগুলিতে কি জায়গা সঙ্কুলান হচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে? এই প্রশ্নই তুলে দিল আজ সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা। তিনি জানান, সরকারি ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কার

কারও করোনা হলে নিজের বাড়িতেই আইসোলেটেড থাকুন পর্যাপ্ত জায়গা থাকলে, হাসপাতালে যেতে হবে না: মুখ্যমন্ত্রী

শেষ আপডেট: 27 April 2020 14:28

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড হাসপাতালগুলিতে কি জায়গা সঙ্কুলান হচ্ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে? এই প্রশ্নই তুলে দিল আজ সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা। তিনি জানান, সরকারি ভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, কারও ঘরে যদি আলাদা থাকার জায়গা থাকে, তাহলে করোনা হলেও তিনি ঘরেই থাকতে পারেন। সকলের জন্য আইসোলেশনের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। সোমবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক চলার সময়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, যাঁদের বাড়িতে থাকার পর্যাপ্ত জায়গা আছে, আইসোলেশনে থাকার মতো জায়গা আছে, তাঁদের বাড়িতে যদি কারও করোনা পজ়িটিভ ধরা পড়ে, তাঁরা নিজের বাড়িতেই থাকতে পারেন। আইসোলেটেড থাকবেন তাঁরা।" যদিও পরে স্বাস্থ্য দফতরের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে ব্যাখ্যা করা হয়, আদতে করোনা পজ়িটিভ রোগীদের নয়, করোনা পজ়িটিভ রোগীর বাড়ির লোকদের জন্য এই নির্দেশ কার্যকরী। মুখ্যমন্ত্রীর প্রেস কনফারেন্সে রাখা বক্তব্যে যে অসঙ্গতি ছিল, তা দূর করে এই বিজ্ঞপ্তি। কিন্তু তার আগেই অনেকের কাছেই এই অর্থই পৌঁছয় যে করোনা পজ়িটিভ রোগীদেরই বাড়িতে থাকতে বলেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, লক্ষ লক্ষ মানুষকে কোয়ারেন্টাইন করা যায় না, সরকারেরও লিমিট আছে। সেইসঙ্গে তাঁর কথায়, "মানুষ নিজের বাড়িতে থাকলে অনেক ভাল থাকে। হাসপাতালে গেলে অনেক রকম রোগী আসেন, অনেক সমস্যা হয়। কিন্তু ঘরটা নিজের মতো সুন্দর করে পরিষ্কার করে থাকা যায়। হোম কোয়ারেন্টাইন সারা পৃথিবীতে শুরু হয়েছে। কেউ যদি মনে করেন বাড়িতে থেকে ট্রিটমেন্ট করাবেন কোনও অসুবিধা নেই। স্বাস্থ্য দফতর টেলি-চিকিৎসা শুরু করবে।" তবে এই শর্ত অবশ্যই পর্যাপ্ত থাকার জায়গা যাঁদের আছে, তাঁদের জন্যই প্রযোজ্য। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, "যাঁর ঘরে জায়গা নেই, তাঁকে আমি কী করে বলব বাড়িতে আলাদা হয়ে থাকতে। তাঁর তো ক্ষমতা নেই। তাঁর জন্য সরকার ব্যবস্থা করবে। এমনিতেও অনেকেই কোয়ারেন্টাইনে যেতে চাইছে না। মানসিক সমস্যা হচ্ছে অনেকের, দুশ্চিন্তা হচ্ছে। তাই কারও যদি মনে হয় তিনি আক্রান্ত, বাড়িতেই থাকুন। তবে অবশ্যই আমাদের ইনফর্ম করবেন। আমরা গাইডলাইন করে দেব।" বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন সম্পূর্ণ আলাদা। কারও যদি মনে হয় তিনি কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংস্পর্শে এসেছেন বা তাঁর করোনা হতে পারে, তিনি নিজের ঘরে আলাদা হয়ে থাকলেন, হোম কোয়ারেন্টাইনে সেটা হতেই পারে। কিন্তু কারও যদি কোভিড পজ়িটিভ ধরা পড়ে, সেক্ষেত্রে নিজের ঘরে আইসোলেটেড থাকাটা কতটা বিজ্ঞানসম্মত তা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ আছে। কারণ হাসপাতালের আইসোলেশন ব্যবস্থাটিই সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে রোগীর নিঃশ্বাসটাও হেপাফিল্টারে ছেঁকে তবেই বাইরে বেরোয়। সেখানে তাঁর সংস্পর্শে যে আসেন, তিনিই পিপিই পরে থাকেন। বাড়িতে এমনটা কখনওই সম্ভব নয়। রোগীকে খেতে দিতে গেলেও কাউকে যেতে হবে রোগীর ঘরে। সেটা ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। শুধু তাই নয়। আইসোলেশন ওয়ার্ড নির্দিষ্ট রাসায়নিক দ্রবণে নির্দিষ্ট সময় অন্তর পরিষ্কার করার কথা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে। তবেই তা জীবাণুমুক্ত হয়। সেই পদ্ধতিও ঘরে মেনে চলা নিশ্চিত করা নাও যেতে পারে। এই অবস্থায় মন্ত্রীর ঘোষণার পরে অনেকেই মনে করতে পারেন, বাড়িতে আলাদা ঘরে থাকলেই তিনি সেরে উঠবেন। কিন্তু সেক্ষেত্রে যদি বাড়াবাড়ি হয়, শ্বাসকষ্ট হয়, ইনটেনসিভ কেয়ারের প্রয়োজন হয়, তাহলে অল্প সময়ের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছনো সম্ভব হবে কি-- উঠেছে সে প্রশ্নও। এই প্রসঙ্গে টুইট করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ও। তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন, তাহলে কি হাসপাতালের বেড ভর্তি হয়ে গেছে বলেই মুখ্যমন্ত্রী বাড়িতে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন! https://twitter.com/SuPriyoBabul/status/1254786902294581249  

```