
শেষ আপডেট: 4 December 2019 11:53
আগে এই ব্যবসায়ীরাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ করেছেন। তাঁদের মূল অভিযোগ ছিল মেলায় স্টল বণ্টনে অনিয়ম নিয়ে। পরিবেশ-সহ নানা কারণে যখন পৌষমেলা বন্ধের মুখে, তখন বিশ্বভারতী বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করে।
বিশ্বভারতী স্থির করে, গ্রামীণ শিল্পীদের কথা মাথায় রেখে ৮৪টি স্টল বিনামূল্যে দেওয়া হবে। বিশ্বভারতীর বিভিন্ন ভবন ও ছাত্রছাত্রীদের জন্য কয়েকটি স্টল সংরক্ষিত থাকবে। বাকি স্টল ভাড়া দেওয়া হবে অনলাইন পদ্ধতিতে। দেড় হাজারের বেশি স্টল বণ্টনে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হস্তক্ষেপ করে প্রধানমন্ত্রীর দফতর। আইআইটি খড়্গপুর পুরো কাজ করে দেয় কোনও রকম খরচ না নিয়েই। কিন্তু এই স্বচ্ছতা বজায় রাখার ফলে কোনও রকম প্রভাব খাটানো যাবে না ও গাজোয়ারি করা যাবে না দেখেই খেপে ওঠেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
প্রকাশ্যে না বললেও, ব্যবসায়ীদের আরও একটা ক্ষোভ রয়েছে। চারদিনের মেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে ভাঙা মেলা চলে বেশ কিছুদিন। চেষ্টা করেও তা বন্ধ করতে পারে না বিশ্বভারতী। তাই এবার থেকে সিকিউরিটি মানি নেওয়া চালু করছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। চার দিনের পরেও যারা দোকান চালিয়ে যাবে, তাদের ওই সিকিউরিটি মানি ফেরত দেওয়া হবে না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবসায়ীরা বুঝে গেছেন, মেলার নির্দিষ্ট দিনের মধ্যেই ব্যবসা করতে হবে, সেই সময়টা পেরিয়ে গেলেই ফেরত পাওয়া যাবে না ওই টাকা।