জিআই ট্যাগের বর্ষপূর্তি, ১৪ নভেম্বর পালিত হবে ‘রসগোল্লা দিবস’
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রসগোল্লা কার? বাংলার নাকি ওড়িশার? দুই রাজ্যের দড়ি টানাটানির পর অবশেষে শেষ হাসি হেসেছিল বাংলাই। গত বছর ১৪ নভেম্বর ওড়িশাকে হারিয়ে রসগোল্লার জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) ট্যাগ পেয়েছিল এ রাজ্য। সেই দিনটিকে উদযাপন করতেই এ বার
শেষ আপডেট: 7 November 2018 17:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রসগোল্লা কার? বাংলার নাকি ওড়িশার? দুই রাজ্যের দড়ি টানাটানির পর অবশেষে শেষ হাসি হেসেছিল বাংলাই। গত বছর ১৪ নভেম্বর ওড়িশাকে হারিয়ে রসগোল্লার জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন (জিআই) ট্যাগ পেয়েছিল এ রাজ্য। সেই দিনটিকে উদযাপন করতেই এ বার রসগোল্লা দিবস উদযাপন হবে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে হিডকো’র চেয়ারম্যান দেবাশিস সেন বলেন, ১৪ তারিখ ইকো পার্কে উদযাপিত হবে রসগোল্লা দিবস।
আরও পড়ুন- ধাপার মাঠের রূপকথা: ‘নোংরা’ ঘেঁটে হিরে খোঁজেন মাইকেল, সাংবাদিকতা পড়ে ‘কাগজকুড়ুনি’ রুক্মিনী
কোথায় প্রথম রসগোল্লা তৈরি হয়েছিল এ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয় গত বছর। ওড়িশা সরকার দাবি করে, বহু প্রাচীনকাল থেকে পুরীর মন্দিরে জগন্নাথ দেবকে রসগোল্লার ভোগ দেওয়া হয়। তাই রসগোল্লা তাঁদের রাজ্যের নিজস্ব মিষ্টি। জিআই ট্যাগের দাবি জানায় নবীন পট্টনায়েকের সরকার। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারও নামে লড়াইয়ে। খাদ্য প্রক্রিয়াক্রণ দফতরের কর্মীরা দিন-রাত এক করে রসগোল্লার উৎস খোঁজার কাজে নেমে পড়েন। যে তথ্য বাংলার সরকার পায় তাতে, ১৮৬০ সাল নাগাদ রসগোল্লার প্রথম প্রচলন শুরু হয় নদিয়ার ফুলিয়াতে। ওই অঞ্চলের নাম ছিল দেলো রসগোল্লা। এরপর ভোলা ময়রার নাতজামাই নবীনচন্দ্র দাসের হাত ধরে কলকাতায় আসে রসগোল্লা। বাংলার সরকারের দেওয়া তথ্যই স্বীকৃতি পায়। ঠিক হয়, রসগোল্লার আগে লিখতে হবে, ‘বাংলার রসগোল্লা।’
ইকো পার্কের মিষ্টি হাবে হবে ওই অনুষ্ঠান। মিলবে নানান ধরনের রসগোল্লা। সেই সঙ্গে রসগোল্লার ইতিহাস নিয়ে হবে আলোচনা সভাও।