Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্কপদ খোয়ানোর পর এবার নিরাপত্তা! রাঘব চাড্ডার Z+ সুরক্ষা তুলে নিল পাঞ্জাব সরকার, তুঙ্গে জল্পনাফাঁকা স্টেডিয়ামে পিএসএলের আড়ালে ভারতের জ্বালানি সঙ্কট! নকভির ‘যুক্তি’তে হতভম্ব সাংবাদিকভোটের রেজাল্টে পর ফের ডিএ মামলার শুনানি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট! ৬০০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে, জানাল রাজ্যহরমুজ প্রণালীতে ট্রাম্পের দাপট! মার্কিন যুদ্ধজাহাজের বাধায় ফিরল বিদেশী ট্যাঙ্কারTCS Case: প্রথমে বন্ধুত্ব, তারপর টাকার টোপ! টিসিএসের অফিসে কীভাবে টার্গেট করা হত কর্মীদের‘ফোর্স ৩’ শুটিং জোরকদমে, পুরনো চরিত্রে ফিরছেন জন— নতুন চমক কারা?'মমতা চান না গোর্খারা শান্তিতে থাকুন, অধিকার ফিরে পান', দার্জিলিঙে ভিডিওবার্তা অমিত শাহের

বিজেপির টার্গেট বাংলা কেন, পাকিস্তান বা চিন হওয়া উচিত: তৃণমূল

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাকে কোনওরকমে অতিক্রম করে কদিন আগে বিহার ভোট জিতেছে বিজেপি তথা এনডিএ। আর তার পরই কখনও বিজেপির এক শ্রেণির নেতা বলছেন বা সংবাদমাধ্যমে লেখা হচ্ছে, ‘এ বার টার্গেট বাংলা।’ বুধবার সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূ

বিজেপির টার্গেট বাংলা কেন, পাকিস্তান বা চিন হওয়া উচিত: তৃণমূল

শেষ আপডেট: 18 November 2020 10:42

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাকে কোনওরকমে অতিক্রম করে কদিন আগে বিহার ভোট জিতেছে বিজেপি তথা এনডিএ। আর তার পরই কখনও বিজেপির এক শ্রেণির নেতা বলছেন বা সংবাদমাধ্যমে লেখা হচ্ছে, ‘এ বার টার্গেট বাংলা।’ বুধবার সে ব্যাপারে প্রশ্ন তুললেন তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজ্যসভায় তৃণমূলের উপ দলনেতা সুখেন্দুশেখর রায় এদিন দলীয় তরফে সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “বিজেপির টার্গেট বাংলা হবে কেন? আমি বুঝছি না! টার্গেট তো পাকিস্তান হওয়া উচিত কিংবা চিন”। তাঁর কথায়, “ভারত একটি গণতান্ত্রিক দেশ। সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো কায়েম রয়েছে দেশে। সেখানে গণতান্ত্রিক প্রথা মেনে নির্বাচন হতে পারে। কেউ কারও টার্গেট হতে পারে না”। সুখেন্দুশেখর রায়ের সঙ্গে এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে ছিলেন দলীয় নেতা ও মুখপাত্র ওমপ্রকাশ মিশ্রও। তাঁরা বলেন, “বাংলায় ‘জ্বালিয়ে দাও, পুড়িয়ে দাও’ এবং ‘চলছে না চলবে না’ রাজনীতি রাজ্যের মানুষ অনেক আগেই প্রত্যাখ্যান করেছে। এখন একটি রাজনৈতিক দলকে ফের সে সব কথা বলতে শুনছি। তারা রোজ বলছে, ভেঙে দেব, থানা জ্বালিয়ে দেব, শ্মশানে পাঠিয়ে দেব। এই নেতিবাচক রাজনীতি দুর্ভাগ্যজনক। এর জবাবও রাজ্যের মানুষ দেবেন আশা করি”। বলা হয়, রাজনীতিতে শব্দ হল ব্রহ্ম। বুধবার এই ‘টার্গেট’ শব্দটিকে যেমন নিশানা করেছে তৃণমূল, তেমনই আরও একটি শব্দ বিজেপির গায়ে লেপে বাংলা ও বাঙালিকে বার্তা দিতে চেয়েছে। সেটা কী? তা হল—‘বহিরাগত’। এই বহিরাগত কারা? মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠক ছিল। তাতে স্থির হয়, রাজ্যকে সাংগঠনিক ভাবে পাঁচটি জোনে ভাগ করে পাঁচ জন নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হবে। ওই পাঁচ নেতার কেউই বাংলার নয়। তাঁরা বাইরের রাজ্যের বিজেপি বা সঙ্ঘের নেতা। বলা হচ্ছে, এঁরা হলেন অমিত শাহর পাঁচ পাণ্ডব—সুনীল দেওধর, বিনোদ তাওরে, দুষ্মন্ত গৌতম, বিনোদ সোনকার ও হরিশ দ্বিবেদী। এঁদেরই বহিরাগত বলছে তৃণমূল। সুখেন্দুশেখরবাবু এ দিন বলেন, “বাংলায় একটা বহিরাগত বিগ্রেড এসেছে শুনছি৷ তাঁরা দাঙ্গা বাধাতে এসেছেন, নাকি ঘোড়া কেনাবেচা করতে কে জানে! কর্মীদের তাই সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে”। রাজ্যসভায় তৃণমূল উপ দলনেতার দাবি, বাংলায় শান্তি ও সৌভ্রাতৃত্বের পরিবেশ কায়েম করে রেখেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার। সেই পরিবেশ ঘেঁটে দেওয়ার বা কোনওরকম বিভাজনের চেষ্টা করা হলে অবশ্যই প্রতিরোধ হবে। বহিরাগত প্রসঙ্গে বিজেপির অবশ্য পাল্টা বক্তব্য রয়েছে। গেরুয়া শিবিরের মুখপাত্রদের কথায়, “অ্যালকেমিস্ট চিটফান্ড সংস্থার মালিক কেডি সিংয়ের কথা মনে পড়ে? তাঁকে বাংলা থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত করেছিল তৃণমূল। তিনি কোথাকার লোক ছিলেন? বিজেপি যে পাঁচ জন নেতাকে পাঁচটি জোনের দায়িত্ব দিয়েছে, তারা বহুদিন ধরে রাজনীতি করছেন। দলীয় কর্মী তাঁরা। কিন্তু প্রশান্ত কিশোর ও তাঁর যে বাহিনী বাংলায় তৃণমূলের হয়ে ভোট ম্যানেজ করছেন তাঁরা শুধু বাইরের লোক নন, তাঁরা কেউ রাজনীতিকই নন”। প্রসঙ্গ : প্রশান্ত কিশোর এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে প্রশান্ত কিশোরের প্রসঙ্গও ওঠে। সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে তৃণমূলের এক শ্রেণির নেতা খোলাখুলি অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। এ ব্যাপারে দল কী বলছে? জবাবে সুখেন্দুবাবু বলেন, “এরকম কোনও অসন্তোষের কথা তাঁর জানা নেই। এটা মিডিয়ার তৈরি করা।” প্রসঙ্গ : শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের সেচ ও পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে এদিনের সাংবাদিক বৈঠকে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। কারণ, শুভেন্দুকে নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে টানাপোড়েন চলছে তৃণমূলে। গত পরশু শুভেন্দুর সঙ্গে তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায়ের বৈঠকও হয়েছে। তবে এ ব্যাপারে সুখেন্দুশেখর রায় বলেন, “আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি যে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা। দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটির সদস্য। এবং মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।”

```