
শেষ আপডেট: 30 October 2019 16:33
কার্তিক মাসে অমাবস্যার রাতে অর্থাৎ কালীপুজোর রাত থেকে শুরু হয় বাদনা পরব। কিন্তু উৎসব শুরু হয়ে যায় কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে। সেদিন বাড়ির মহিলা ও পুরুষরা গোয়াল পরিষ্কার, গরু পরিচর্যার কাজ শুরু করেন। গরুগুলিকে স্নান করানোর পর বিভিন্ন রং দিয়ে গায়ে ছোপ দেওয়া হয়। গরুদের গলায় শালুক ফুলের মালা পরিয়ে, শিং-এ তেল মাখিয়ে, পিঠে খাইয়ে, গান শুনিয়ে গরু জাগানো হয়। ঢোল, মাদল, বাঁশি বাজিয়ে ‘লায়া’র (পূজারী) বাড়ি থেকে জাগরণী গানের দল বের হয়। গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে অন্তত একজন করে পুরুষ থাকেন ওই দলে। ওই দলটি প্রত্যেক বাড়ির গোয়াল ঘরে গান করেন।
গরু খুঁটান উৎসবে শালবল্লিতে রাখা হয় বলদ বা এঁড়ে গরুদের। তার সামনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় মৃত মোষের বা গরুর চামড়া। বলদ বা এঁড়ে গরু যখন ওই চামড়াকে গোঁতাতে যায় তখনই বেজে উঠে ঢাক ও মাদল। সেই সঙ্গে সমস্ত জনতা চিৎকার করে উঠে।
লোকসভা ভোটে দলের খারাপ ফলের পরে জঙ্গলমহলে তৃণমূলের দলীয় পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পান শুভেন্দু। তারপর নিয়মিত ঝাড়গ্রাম জেলায় আসছেন তিনি। পুজোর আগে মহালয়ার সন্ধ্যায় ঝাড়গ্রাম রবীন্দ্রপার্কে তৃণমূলের বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিতে এসেছিলেন শুভেন্দু। পুজোর পরে গত ২২ অক্টোবর ঝাড়গ্রাম শহরে জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর আয়োজিত বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানে আসেন পরিবহণমন্ত্রী।
পড়ুন ‘দ্য ওয়াল’ পুজো ম্যাগাজিন ২০১৯ -এ প্রকাশিত গল্প