দ্য ওয়াল ব্যুরো: কয়েক বছর আগে জোর বিতর্কে জড়িয়েছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী নির্মল মাজি। এসএসকেএম হাসপাতালে তাঁর এক পরিচিতের কুকুরের নাকি ডায়ালিসিস করানো হয়েছে!
একদিকে সমালোচনা অন্যদিকে বিদ্রুপ। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিরোধীরা ছড়া কেটে লিখেছিল- ‘জেনে গেল সব লোক, শালকে টু সিডনি/ এসএসকেএমে সারে, কুকুরের কিডনি!’
সে বিতর্ক অনেক পুরনো। তবে কুকুর নিয়ে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন নির্মলবাবু। বৃহস্পতিবার কসবা গীতাঞ্জলী স্টেডিয়ামে তৃণমূলের এসটি-এসসি সম্মেলনে নির্মলবাবু বলেন, “ইডি ও সিবিআই হচ্ছে দুটো কুকুর। এই দুটো কুকুরকে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একটা অ্যালসেশিয়ান, আর একটা স্নিফার ডগ।’
এদিন দলত্যাগী নেতাদের সমালোচনা করছিলেন নির্মল মাজি। তাঁর কথায়, কিছু কিছু স্বার্থান্বেষী লোক এখন দল ছাড়ছে। আর কাউকে কাউকে ইডি ও সিবিআইয়ের ভয় দেখিয়ে দল থেকে ভাঙানো হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই ইডি ও সিবিআইকে দুটো কুকুর বলে সমালোচনা করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, নির্মলবাবু যখন এ কথা বলছেন তখন কলকাতায় কেভেন্টার্সের দুটি অফিসে হানা দেয় ইডি। এছাড়া এদিন ইডি-র হানার তালিকায় ছিল ডায়মন্ড হারবার রোডে কেভেন্টার্সের একটি অফিস। অবশ্য সেখানে ঢুকতে কিছুটা বেগ পেতে হয় আধিকারিকদের। জানা গিয়েছে, বেশ কিছুক্ষণ গেটে অপেক্ষা করার পরে অবশেষে সিআরপিএফ জওয়ানদের নিয়ে সেখানে ঢোকেন আধিকারিকরা।
সূত্রের খবর, কেভেন্টার্সের অফিসে গিয়ে বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখেছেন ইডি আধিকারিকরা। সেখানে সংস্থার বিভিন্ন আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। তবে এই তল্লাশিতে কিছু পাওয়া গিয়েছে কিনা সে বিষয়ে কিছু জানায়নি কেন্দ্রীয় সংস্থা।
সিবিআই ও ইডিকে রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে এই অভিযোগ তৃণমূল সহ বিরোধী দলগুলির প্রায় সবাই করে। তবে কারও মুখেই কখনও এই ধরনের কথা শোনা যায়নি। সংবিধানের নামে শপথ নেওয়া কোনও মন্ত্রী কেন্দ্রীয় এজেন্সি সম্পর্কে এই ধরনের মন্তব্য করতে পারেন কিনা তা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।