
শেষ আপডেট: 13 December 2020 14:18
লালকৃষ্ণ আডবাণী আগে আকছার বলতেন, রাজনীতির পরিসর এমনই হওয়া উচিত। আমরা কেউ পরস্পরের শত্রু নই। প্রতিপক্ষ মাত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে যাই বলুন না কেন ব্যক্তিগত পরিসরে সেই সৌজন্যের ধারাবাহিকতা রেখেছেন। সে সব দিদি অবশ্য হাটখোলা করে বলে দেননি। বিজেপির নেতাদের থেকেই বেশি জানা গিয়েছে।
এই যেমন, উনিশের ভোটের কিছু দিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন অভিনেতা অক্ষয় কুমার। সেই সাক্ষাত্কারে একটা 'মিষ্টি' কথা ফাঁস করে দিয়েছিলেন মোদী। ভোটের ময়দানে তাঁর ও দিদির যখন শঠে শাঠ্যং চলছে তখন জানিয়ে দিয়েছিলেন,''মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে বেছে আমার জন্য কুর্তা পাঠান। বছরে তিন-চার বার মিষ্টিও পাঠান।''
পরে একবার এমনই এক সৌজ্যনের কথা গল্পের ফাঁকে জানিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির প্রবীণ নেতা নিতিন গডকড়ী। তিনি বলেন,'একবার আমি কলকাতায় গিয়েছি, সে বার তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার জন্য মাছ রান্না করে এনেছিলেন। বললেন, আমি নিজে রান্না করেছি। কিন্তু আমি তো শুদ্ধ শাকাহারী। তাই শুধু দই-ভাত খেয়েছিলাম।' গডকড়ী আরও বলেছিলেন, নেতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকলে রাজনীতির বাতাবরণ অনেক ভালো হতে পারে।
তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সে বার মোদীকে ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, ভোট-মরসুমে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তখন যা করেছি, করেছি। মোদীকে এখন মাটির রসগোল্লা বানিয়ে দেবো, তার মধ্যে পাথর গুঁজে দেবো। খেতে গিয়ে দাঁত ভেঙে যাবে। আর তা শুনে মোদী আবার হেসে বলেছিলেন, বাংলার মাটির তৈরি রসগোল্লা সে তো প্রসাদ আমার কাছে!