Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
বছরে ২২ লক্ষ্য আয়, শিবপুরের লড়াইয়ে নামার আগে সামনে রুদ্রনীলের সম্পত্তির খতিয়ানভোটের মধ্যেই ‘মাতৃশক্তি ভরসা’ কার্ড প্রকাশ, শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে কী বললেন স্মৃতি ইরানি অপরিচিতকেও চিনিয়ে দেবে মেটার ‘স্মার্ট গ্লাস’! অপরাধ বাড়তে পারে, বিপদ দেখছে মানবাধিকার সংগঠনগুলিপ্রথম পর্বে দেখা হবে না রাম-রাবণের! ‘রামায়ণ’ নিয়ে ভক্তদের মন ভেঙে দিলেন ‘টক্সিক’ যশনববর্ষ উদযাপনের মাঝেও মনখারাপ! দিনের শুরুটা কীভাবে কাটালেন ঋতুপর্ণা?গীতা ও চণ্ডীতে যেভাবে নিজের স্বরূপ প্রকাশ করেছেন ভগবান৭ শতাংশ ফ্যাট, ৫০ শতাংশ পেশি! যে ডায়েট মেনে চলার কারণে রোনাল্ডো এখনও যন্ত্রের মতো সচলগুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলা

পুলিশ ‘দর্শক’, চোপড়ায় গ্রামবাসীদের হাতে ‘গ্রেফতার’ তৃণমূল নেতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয়বাহিনীর আশ্বাস, পুলিশ পর্যবেক্ষক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, এত কিছু করেও অশান্তির আবহেই কাটল দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রথম দু’ঘণ্টা। বাংলার তিনটি লোকসভা কেন্দ্রেই এই ছবি দেখা গিয়েছে। দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের চোপড়ার একটি এলাকা

পুলিশ ‘দর্শক’, চোপড়ায় গ্রামবাসীদের হাতে ‘গ্রেফতার’ তৃণমূল নেতা

শেষ আপডেট: 18 April 2019 04:19

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কেন্দ্রীয়বাহিনীর আশ্বাস, পুলিশ পর্যবেক্ষক, বিশেষ পর্যবেক্ষক, এত কিছু করেও অশান্তির আবহেই কাটল দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রথম দু’ঘণ্টা। বাংলার তিনটি লোকসভা কেন্দ্রেই এই ছবি দেখা গিয়েছে। দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের চোপড়ার একটি এলাকায় জনতার বিক্ষোভের সামনে পড়ে কার্যত মাথা হেঁট করে দাঁড়িয়ে থাকতে হল পুলিশকে। স্থানীয়রাই ঘিরে ধরে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন এলাকার এক তৃণমূল নেতাকে। অভিযোগ, ওই তৃণমূল নেতাই চোপড়ায় ভোট দানে বাধা দিচ্ছিলেন। বুথের সামনে থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছিলেন ভোটারদের। চোপড়ার একাধিক বুথে দেখা নেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর। সেখানকার মানুষদের অভিযোগ, রাজ্য পুলিশের নীরবতায় বিভিন্ন বুথে ভোট লুঠ করছে তৃণমূলের বাহিনী। কয়েকশো গ্রামবাসী সক্কাল সক্কাল ভোটের লাইনে দাঁড়ালেও তাঁদের লাইন থেকে বার করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এরপর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। আর তখনই পুলিশকে ঘিরে ধরে বিক্ষোভ শুরু করেন গ্রামবাসীরা। পুলিশ আশ্বাস দেয়, বুথ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে সকলের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তখন গ্রামের মহিলা এবং তরুণ ভোটাররা বলতে শুরু করেন, “আমাদের যখন লাইন থেকে বার করে দিল, তখন কোথায় ছিলেন আপনারা? কী করতে আছেন?” তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে কোনওভাবেই সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। এরপর রাজ্য পুলিশের আশ্বাসে বুথ পর্যন্ত গিয়ে স্থানীয়রা ওই তৃণমূল নেতাকে ধরে ফেলেন। পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে এক মহিলাকে বলতে শোনা যায়, “নিন, আপনাদের মুরোদ জানা আছে। এই লোকটাই আমাদের ভোট দিতে দিচ্ছিল না।” এরপর পুলিশের গাড়িতে চাপিয়ে ওই তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যদিও সাধারণ মানুষ আতঙ্কে, ভোট মিটে গেলে কী হবে তাই নিয়ে। চোপড়ার ওই এলাকায় উত্তেজনার খবর পেয়ে দীর্ঘক্ষণ বাদে সেখানে পৌঁছয় বিরাট পুলিশবাহিনী। বিরোধী দলগুলির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, সার্কেল অফিসার, মাইক্রো অবজার্ভার কাউকে ফোন করেই যোগাযোগ করা যায়নি। সকাল সাড়ে নটা পর্যন্ত ওই এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। গোটা ঘটনা নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। পৌনে দশটা নাগাদ কমিশনের তরফে জানানো হয়, চোপড়ার ওই এলাকায় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করে র‍্যাফ।  ফাটাতে হয় টিয়ার গ্যাসের সেলও। চার ঘণ্টা পর চোপড়ায় ১৮০ নম্বর বুথে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কুইক রেসপন্স টিম। এরপর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্য পুলিশ গ্রামবাসীদের এসকর্ট করে বুথে নিয়ে যায়। শুরু হয় ভোটগ্রহণ। https://www.youtube.com/watch?v=-mcqN1MhIkQ&feature=youtu.be

```