
শেষ আপডেট: 18 April 2019 04:19
পুলিশ আশ্বাস দেয়, বুথ পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে সকলের ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। তখন গ্রামের মহিলা এবং তরুণ ভোটাররা বলতে শুরু করেন, “আমাদের যখন লাইন থেকে বার করে দিল, তখন কোথায় ছিলেন আপনারা? কী করতে আছেন?” তাঁদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী না এলে কোনওভাবেই সুষ্ঠু ভোট সম্ভব নয়। এরপর রাজ্য পুলিশের আশ্বাসে বুথ পর্যন্ত গিয়ে স্থানীয়রা ওই তৃণমূল নেতাকে ধরে ফেলেন। পুলিশের হাতে তুলে দিয়ে এক মহিলাকে বলতে শোনা যায়, “নিন, আপনাদের মুরোদ জানা আছে। এই লোকটাই আমাদের ভোট দিতে দিচ্ছিল না।” এরপর পুলিশের গাড়িতে চাপিয়ে ওই তৃণমূল নেতাকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ।
যদিও সাধারণ মানুষ আতঙ্কে, ভোট মিটে গেলে কী হবে তাই নিয়ে। চোপড়ার ওই এলাকায় উত্তেজনার খবর পেয়ে দীর্ঘক্ষণ বাদে সেখানে পৌঁছয় বিরাট পুলিশবাহিনী। বিরোধী দলগুলির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, সার্কেল অফিসার, মাইক্রো অবজার্ভার কাউকে ফোন করেই যোগাযোগ করা যায়নি। সকাল সাড়ে নটা পর্যন্ত ওই এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। গোটা ঘটনা নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। পৌনে দশটা নাগাদ কমিশনের তরফে জানানো হয়, চোপড়ার ওই এলাকায় পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠি চার্জ করে র্যাফ। ফাটাতে হয় টিয়ার গ্যাসের সেলও।
চার ঘণ্টা পর চোপড়ায় ১৮০ নম্বর বুথে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর কুইক রেসপন্স টিম। এরপর নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রাজ্য পুলিশ গ্রামবাসীদের এসকর্ট করে বুথে নিয়ে যায়। শুরু হয় ভোটগ্রহণ।
https://www.youtube.com/watch?v=-mcqN1MhIkQ&feature=youtu.be