Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
গুগল এখন অতীত, AI দেখে ওষুধ খাচ্ছেন মানুষ! বেশিরভাগ রোগ চিনতে না পেরে জটিলতা বাড়াচ্ছে চ্যাটবট 'ডাহা মিথ্যে তথ্য দিয়েছে রাজ্য', সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি পিছতেই ক্ষুব্ধ ভাস্কর ঘোষBasic Life Support: চলন্ত ট্রেনে ত্রাতা সহযাত্রীই! সিপিআরে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলেন মহিলামহিলা বিল পেশ হলে রাজ্য অচলের ডাক স্ট্যালিনের, কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে কেন ষড়যন্ত্র বলছে ডিএমকে আজ চ্যাম্পিয়নস লিগের মহারণ! উদ্দীপ্ত এমিরেটসের কতটা ফায়দা নিতে পারবে আর্সেনাল? দ্রুত রোগা হওয়ার ইনজেকশন শেষ করে দিচ্ছে লিভার-কিডনি? ভুয়ো ওষুধ নিয়ে সতর্ক করলেন চিকিৎসকরাপ্রথম দফার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামছে ৪০ হাজার রাজ্য পুলিশ, কোন জেলায় কত‘ভয় নেই, আমিও কারও বাবা...’ সব পুরুষ সমান নয় - বার্তা নিয়ে মুম্বইয়ের রাস্তায় ছুটে চলেছে এই অটোহরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”

তিন মহিলা খুন: বহরমপুরের সেই জ্যোতিষীর যাবজ্জীবন জেলের সাজা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নৃশংস ভাবে তিন মহিলাকে খুন করেছিলেন পরিবারের পূর্ব পরিচিত জ্যোতিষী। সাজা ঘোষণা হতে লাগলো প্রায় পাঁচ বছর। অবশেষে কিনারা হলো বহরমপুরের আশাবরী আবাসনের খুনের ঘটনার। ২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারি বহরমপুরের কাদাইয়ের আশাবরী আবাসনে খুন হয়

তিন মহিলা খুন: বহরমপুরের সেই জ্যোতিষীর যাবজ্জীবন জেলের সাজা

শেষ আপডেট: 15 February 2019 12:46

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নৃশংস ভাবে তিন মহিলাকে খুন করেছিলেন পরিবারের পূর্ব পরিচিত জ্যোতিষী। সাজা ঘোষণা হতে লাগলো প্রায় পাঁচ বছর। অবশেষে কিনারা হলো বহরমপুরের আশাবরী আবাসনের খুনের ঘটনার। ২০১৪ সালের ৬ জানুয়ারি বহরমপুরের কাদাইয়ের আশাবরী আবাসনে খুন হয়েছিলেন একই পরিবারের তিন মহিলা। এই খুনের ঘটনায় জড়িত ছিলেন ওই পরিবারেরই পরিচিত জ্যোতিষী নিত্যানন্দ দাস। ঘটনার কদিন পরেই শিলিগুড়ি থেকে সস্ত্রীক (দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী) গ্রেফতার হয়েছিলেন নিত্যানন্দ। এরপর পাঁচ বছর ধরে চলে মামলা। অবশেষে ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার মুর্শিদাবাদ জেলা দায়রা আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছিল অভিযুক্ত জ্যোতিষীকে। শুক্রবার ছিল সাজা ঘোষণার পালা। এ দিন দোষীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা এবং যাবজ্জীবনের সাজা শুনিয়েছেন বিচারক পার্থসারথী চ্যাটার্জী। বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয়েছিল প্রভা দাস (৭১), বিজয়া বসু (৪৮) এবং আত্রেয়ী বসু (১৮)-র দেহ। প্রায় দু’দিন মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন এই তিনজন। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছিল, শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছিল এই তিনজনকে। ঘটনার তদন্তে নামে বহরমপুর থানার পুলিশ। খুনের ঘটনায় প্রথমে অবশ্য বিজয়াদেবীর স্বামীর দিকেই অভিযোগের আঙুল তোলেন বিজয়াদেবীর দিদি। পুলিশ আটকও করে দেবাশিস বসুকে। কিন্তু খুনের সঙ্গে তাঁর জড়িত থানার প্রমাণ মেলেনি। বরং তাঁর কথা থেকে বেশ কিছু যোগসূত্র পায় পুলিশ। জ্যোতিষীর প্রতি পরিবারের দুর্বলতার কথাও দেবাশিসের থেকেই জানতে পারা যায়। দেবাশিস জানান, বিজয়া তাঁকে বলেছিলেন কালসর্প যোগ কাটানোর জন্যই নাকি নিত্যানন্দর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন তাঁরা। এরপরেই মৃতদের ফোনের কললিস্ট ঘেঁটে গ্রেফতার করা হয় নিত্যানন্দ দাসকে। জেরায় দোষ স্বীকার করে অভিযুক্ত। পুলিশ জানায়, তিন মহিলাকে মারার আগে মদ্যপান করিয়েছিল ওই জ্যোতিষী। তারপর আত্রেয়ীকে নগ্ন এবং বিজয়াদেবীকে অর্ধনগ্ন করে বেশ খানিকক্ষণ চলে যজ্ঞ ও তন্ত্রসাধনা। এরপর নেশা মাত্রা ছাড়াতেই তিনজনকে শ্বাসরোধ করে খুন করে নিত্যানন্দ।

```