
শেষ আপডেট: 13 February 2020 11:31
ইএনটি বিশেষজ্ঞ বীরেশ্বর মণ্ডলের অধীনে তাঁকে ভর্তি করা হয়। এক্স-রে করে দেখা যায় যে ওয়াশারটি খাদ্যনালীর উপরের অংশে আছে। অপারেশন করে সেটি বার করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক।
অপারেশনের পরে বীরেশ্বর মণ্ডল বলেন, “কয়েন-জাতীয় কিছু ঢুকে গেলে সাধারণত ২-৩ মিনিট লাগে সেটি বার করে আনতে কিন্তু এক্ষেত্রে তা হয়নি। ওয়াশারটি নেমে পাকস্থলীর ঠিক উপরের অংশে চলে এসেছিল। সেটি এতটাই পাতলা যে আমি ধরতেই পারছিলাম না।” ওই ওয়াশারটিকে ধরতে গিয়ে খাদ্যনালীর দেওয়ালে ক্ষত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। শেষ পর্যন্ত অবশ্য সেটি বার করে আনা সম্ভব হয়। তিনি বলেন, “আমার আধ ঘণ্টা থেকে পঁয়তাল্লিশ মিনিট সময় লেগেছে ওয়াশারটি বার করে আনতে। এখন রোগী সুস্থ। তরল খাবার খেতে পারছে।”
রোহিত মণ্ডল জানিয়েছেন, “কাজ করার সময় সুবিধার জন্য আমরা মুখের মধ্যে স্ক্রু-ওয়াশার প্রভৃতি রাখি। আজ তাড়াহুড়োর সময় স্ক্রু নিতে গিয়ে লোহার ওয়াশারটি গলার ভেতরে চলে যায়। হাসপাতালে এসে ভর্তি হওয়ার পরে চিকিৎসক অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গিয়ে ওয়াশারটি বার করেন।”
রোগীর আপাতত কোনও সমস্যা নেই, কাল থেকেই তিনি ভাত-জাতীয় খাবার খেতে পারবেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক।