
শেষ আপডেট: 3 August 2020 09:32
কোয়ারেন্টাইন সেন্টারের দরজার কাছে সন্ধ্যারাতের দৃশ্য।[/caption]
নিজেদের মতো করে প্রবীণদেরও দেখা যায় সান্ধ্যভ্রমণ করতে। অনেকে আড্ডায় মশগুল হয়ে থাকেন। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই চলে সে সব। এখানে নিয়ম করে আসা কয়েক জনের সঙ্গে আমরা কথা বলেছিলাম। অনেকে মেনে নিচ্ছেন যে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে করোনার সময় অবাধ মেলামেশা ঠিক নয়। অনেকে আবার বলছেন “ঘরে বসে করবো টা কী! অমিতাভ বচ্চনের যদি করোনা হয় তো আমরা কোন ছার! অত ভয় করে বাঁচতে পারব না।" নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বলছেন, “যে কটা দিন বাঁচব ভাল করে বাঁচব। তা ছাড়া ঘরে বসে থাকলে চলবেই বা কী করে?"
করোনার সব আশঙ্কা ফুৎকারে উড়িয়ে ডুমুরজলা কোয়ারেইন্টাইন সেন্টার সংলগ্ন এলাকা এখন জমজমাট। বয়স্ক লোকজনের কেউ কেউ বলছেন, “বাইরে বেরিয়ে প্রকৃতির মাঝে থাকাটাও ভীষণ দরকার।” করোনা সংক্রমণে যেখানে হাওড়া রাজ্যের মধ্যে একেবারে প্রথম সারিতে সেখানে এই দৃশ্য অবাক করার মতোই। প্রশাসনের কোনও নজরদারি নেই এখানে। শুধুমাত্র কন্টেনমেন্ট জোন হলে কিংবা লকডাউন হলে নজর দেবে প্রশাসন? এই প্রশ্নও এখন উঠে আসছে।
হাওড়ায় এখন পুরবোর্ড নেই। ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল সভাপতি পিণ্টু মণ্ডল এখন বকলমে এলাকার দেখভাল করছেন। তিনি বলেন, “এখানে যারা আসে তাদের বেশিরভাগ বহিরাগত। এলাকার লোকজন ভয়ে কিছু বলতে পারে না কারণ ওরা সংখ্যায় অনেক বেশি। স্থানীয় বাসিন্দা তথা এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, “সন্ধ্যা নামলেই এখানে অসামাজিক কাজকর্ম শুরু হয়ে যায়। প্রকাশ্যে মদ ও গাঁজা খাওয়া চলে। খেলার মাঠগুলো অন্ধকার থাকায় সেখানে এসব বেশি হয়। প্রশাসনের এ বিষয়টি দেখা উচিত।”
চ্যাটার্জিহাট থানার এক পুলিশ আধিকারিক বলেন, মাঝে মধ্যে টহলদারি চালানো হয়। এবার তা বাড়ানো হবে।