পুজোয় বরাত নেই, সরকারি ভাতা দাবি করছেন মেদিনীপুরের ঢাকিরা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে। তবে মন ভাল নেই পশ্চিম মেদিনীপুরের (Medinipur) কালিন্দী পাড়ার ঢাক শিল্পীদের (Dhak Players)। ঢাকিদের ছাড়া দুর্গাপুজোর কথা ভাবাই যায় না। কিন্তু কোভিড আবহে ঢাক শিল্পের বাজার মন্দা।
কানহাইয়াও 'হাত'
শেষ আপডেট: 26 September 2021 03:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর বাদ্যি বেজে গিয়েছে। তবে মন ভাল নেই পশ্চিম মেদিনীপুরের (Medinipur) কালিন্দী পাড়ার ঢাক শিল্পীদের (Dhak Players)। ঢাকিদের ছাড়া দুর্গাপুজোর কথা ভাবাই যায় না। কিন্তু কোভিড আবহে ঢাক শিল্পের বাজার মন্দা।
কানহাইয়াও 'হাত' ধরছেন, মেভানির সঙ্গে মঙ্গলবারই কংগ্রেসে প্রাক্তন ছাত্রনেতা
কালিন্দী পাড়ায় প্রায় ১৫০ টি পরিবার সাত পুরুষ ধরে ঢাক বাজিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। স্বাভাবিকভাবেই দুর্গা পুজো এলে সকলে যেমন আনন্দে মেতে ওঠে, তেমনই দুটো অতিরিক্ত রোজগারের ফলে ঢাকিদের মুখে হাসি ফোটে। কিন্তু মারণ ভাইরাস করোনা মুখের সব হাসি কেড়ে নিয়েছে। নিয়মিত রোজগার নেই। গত দু'বছর ধরে বেশিরভাগ ঢাক শিল্পীই দুর্গা পুজোয় বায়না পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে সরকারি ভাতার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
দুর্গা পুজোয় প্রতিবারই ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা নিয়ে বাড়ি ফিরতেন কালিন্দি পাড়ার ঢাকিরা। সঙ্গে উপহারও কম থাকত না। শুধু বাংলাতেই নয়, বাংলার বাইরের পুজোতেও ঢাক বাজানোর বায়না পেতেন কেউ কেউ। ভিন রাজ্যের পুজো আয়োজকরা দূরের ঢাকিদের এখন আর নিয়ে যেতে চাইছেন না। আবার রাজ্যের অনেক পুজো কমিটির বাজেট কাটছাঁট হওয়ায় ঢাকিদের অর্ধেকেরও কম অর্থ দিচ্ছে।
ঢাকিরা জানিয়েছেন সরকারি সাহায্যই এখন তাঁদের একমাত্র ভরসা। রাজ্যের অসংখ্য লোকশিল্পী নিয়মিত সরকারি ভাতা পেলেও কালিন্দি পাড়ার ঢাকিরা শিল্পীর স্বীকৃতি পাননি। ফলে তাঁদের অভাব-অনটন আরও বেড়েছে। তাঁরা সরকারের তরফে ভাতার দাবি করেছেন।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'