শেষ আপডেট: 9 August 2019 13:25
চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী এও লিখেছেন, অথচ রেলের অনুরোধে রাজ্য সরকার জমি অধিগ্রহণের কাজও শুরু করে দিয়েছিল। প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় ৭০ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়ে গিয়েছে। ৬০ শতাংশ জমি রেলকে হস্তান্তরও করা হয়েছে। কিন্তু প্রথম দুই ধাপে প্রকল্পের রূপায়ণ যখন মূলত সরকারি টাকায় হচ্ছে, তখন বলা হচ্ছে তৃতীয় পর্যায়ের কাজ হবে সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে! কী ভাবে তৃতীয় পর্যায়ের কাজ হবে সে ব্যাপারেও কোনও স্পষ্ট দিশা নেই।
মমতার কথায়, পশ্চিমাঞ্চলের পণ্যবাহী রেল করিডরের কাজ শেষ করে ২০২১ সালের মধ্যে শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু পূর্বাঞ্চলের প্রকল্পটি নিয়েই যেন দোদুল্যমানতা চলছে।
পীযূষ গোয়েল মমতাকে জবাব দেন সেটা দেখার। তবে মমতার চিঠি নিয়ে দিল্লির কিছু রেল কর্তার পাল্টা বক্তব্য রয়েছে। তাঁদের কথায়, পণ্যবাহী করিডরের মূল উদ্দেশ্য হল শিল্পাঞ্চল থেকে পণ্য পরিবহণ করে বন্দরে পৌঁছে দেওয়া এবং সেখানে শিল্পাঞ্চলে কাঁচা মাল সরবরাহ করা। পশ্চিমবঙ্গে শিল্পায়নের ছবিটা দুর্বল। সুতরাং করডরটি ডানকুনি পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা তা বাণিজ্যিক ভাবে সঙ্গত হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
মমতার চিঠির মধ্যে রাজনীতিও দেখছেন কেউ কেউ। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, কেন্দ্রে বিরুদ্ধে বঞ্চনার অভিযোগ তুলছেন মমতা। আগে বামেরাও ধারাবাহিক ভাবে এই রাজনীতিই করেছেন। আবার কারও কারও মতে, পীযূষ গোয়েল মেট্রো রেলের যে ভিডিও প্রকাশ করেছেন, তার মধ্যে বাংলার মানুষকে বার্তা দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে। পাল্টা চিঠি দিয়ে সেটাই হয়তো কাটতে চেয়েছেন মমতা।