দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার বিকেল পাঁচটা থেকে গোটা বাংলাতেই কার্যত লকডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। জরুরি পরিষেবা ভিন্ন কিছুই খোলা নেই। সন্ধ্যায় রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বার্তা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর্জি জানালেন, খুব জরুরি প্রয়োজন না থাকলে কেউ যেন বাড়ি বাইরে না বেরোন। এ ব্যাপারে সরকারের কথা যেন সবাই শুনে চলেন।
সোমবার নবান্নে সর্বদল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই বৈঠকে বিরোধী দলগুলির কাছে সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এড়াতে মানুষ যাতে আপাতত বাড়িতেই থাকে, সামাজিক মেলামেশা বন্ধ রাখে সে ব্যাপারে সচেতনতা বাড়াতে সবার উদ্যোগী হওয়া উচিত বলেই জানিয়েছেন তিনি।
পরে সন্ধ্যায় এক টুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, বাংলার মানুষকে নিরাপদে রাখতে এবং করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে সরকার যথাসাধ্য করছে। তবে শুধু সরকারের চেষ্টাতেই এই লড়াই জেতা যাবে না। এই সংকটের সময়ে সাধারণ মানুষের সর্বৈব সহযোগিতা ও সমষ্টিগত প্রয়াস প্রয়োজন। তাঁর কথায়, “আমরা এক সঙ্গে এর লড়াই করব। একমাত্র আমরাই পারি আমাদের আশপাশের সবাইকে নিরাপদে রাখতে”।
https://twitter.com/MamataOfficial/status/1242095951923122178
করোনাভাইরাসের সংক্রমণে সোমবার বাংলায় প্রথম কোনও রোগীর মৃত্যু হয়েছে। দমদমের ওই ব্যক্তি বিদেশ থেকে আসেননি। তবে মনে করা হচ্ছে, তাঁর পরিবারের কেউ সম্প্রতি বিদেশে গিয়েছিলেন, বা সেখান থেকে এসেছিলেন, তার থেকেই ওই প্রৌঢ়ের শরীর সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এবং এই ঘটনাই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে সংক্রমণ এড়াতে কী ভাবে এই সংকটের প্রহরে সামাজিক মেলামেশা বন্ধ রাখতে হবে। বস্তুত লক ডাউনের উদ্দেশ্যও তাই। মুখ্যমন্ত্রী সেটাই পই পই করে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।