
শেষ আপডেট: 25 July 2023 08:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কামারহাটির এক যুবকের অস্বাভাবিক ঘটনায় তোলপাড় পড়ে গেল। ইএসআই হাসপাতালের ওই কর্মীর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার (Injured body of ESI worker)হয়েছে দক্ষিণেশ্বর-বালির গঙ্গার ঘাট (Ganga Ghat) থেকে। মৃতের নাম বিপ্লব বসু। তাঁর পরিবার ও প্রতিবেশীদের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে বিপ্লবকে। আর সেই খুনের নেপথ্যে রয়েছে বিপ্লবের স্ত্রী চৈতালি ও তাঁর প্রেমিক।
কেন এমন অভিযোগ?
বিপ্লবের পরিবার ও প্রতিবেশীদের অনেকে কামারহাটির পুলিশকে জানিয়েছে, কিছুদিন আগে তাঁর স্ত্রীকে সহকর্মীর সঙ্গে দেখেছিলেন বিপ্লব। তার পর রাগের বশে ভাঙচুর চালিয়েছিলেন বাড়িতে। স্ত্রীকে মারধরও করেছিলেন, পাল্টা মারধর করেছিলেন স্ত্রীও। কোয়ার্টারের প্রতিবেশী অনেকেই সে ঘটনার নাকি সাক্ষী ছিলেন। এ সবের পরই এবার গঙ্গার ঘাট থেকে বিপ্লবের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, চৈতালীর সঙ্গে ২০১১ সালে বিয়ে হয়েছিল বিপ্লবের। কামারহাটি ইএসআই হাসপাতালে কাজ করতেন বিপ্লব। তারই আবাসনে থাকতেন এই স্বামী-স্ত্রী। পরিবারের অভিযোগ, কামারহাটি ইএসআই হাসপাতালের আবাসনের এক ব্যক্তির সঙ্গে চৈতালি পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। ওই ব্যক্তি বিপ্লবেরই সহকর্মী।
মাস কয়েক আগে গোটা ব্যাপারটা নাকি জানতে পেরেছিলেন বিপ্লব। তার পর থেকে সংসারে অশান্তি লেগেই ছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। গত বৃহস্পতিবারও দুজনের মধ্যে অশান্তি হয়েছিল তাঁরা কামারহাটি থানার পুলিশকে জানিয়েছেন। সেদিন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে নিখোঁজ ছিলেন বিপ্লব বসু। পরিবারের লোকজন বিপ্লবের খোঁজ না পেয়ে কামারহাটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তার পরই গঙ্গার ঘাটে তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ পাওয়া যায়। পুলিশ চৈতালী বসুর খোঁজ শুরু করেছে বলে খবর।
আরও পড়ুন: ৭০টি বোমা একসঙ্গে ফাটল, কেঁপে উঠল খয়রাশোলের গ্রাম