
শেষ আপডেট: 1 September 2020 09:18
সেই পারিবারিক সম্পর্কের হাত ধরেই বীরভূম জেলার কীর্ণাহারে প্রণববাবুর দেশের বাড়িতেও গেছেন দেবাশিসবাবু। অংশ নিয়েছেন মুখোপাধ্যায় বাড়ির দুর্গাপুজোতেও। বাড়ির দুর্গাপুজোয় চণ্ডীপাঠ করছেন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, এমন বিরল দৃশ্যেরও সাক্ষী তিনি। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বারবারই উঠে আসছিল ব্যক্তিগত স্মৃতিতে ভরা সেই দিনগুলির কথা।
প্রণব মুখোপাধ্যায় আর নেই, একথা এখনও যেন বিশ্বাস করতে পারছেন না দেবাশিসবাবু। এই তো কিছুদিন আগেই নিজের লেখা বই তুলে দিয়ে এসেছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির হাতে। প্রণববাবুও আশ্বাস দিয়ে বলেছেন অবশ্যই পড়বেন সে বই। যেদিন সংবাদমাধ্যমে প্রণববাবুর অসুস্থতার খবর পান সেদিন থেকেই উচাটন হয়ে ছিল উত্তরপাড়ার মুখোপাধ্যায় পরিবার। আর সোমবার বিকেলে যখন মৃত্যু সংবাদ এল তখন স্পষ্টতই বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েন দেবাশিসবাবু।
সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানান, দিন তিনেক আগেও প্রণব বাবুর ছেলের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে তাঁর। সান্ত্বনা দিয়ে বলেছিলেন সব ঠিক হয়ে যাবে। সব আর ঠিক হল কই!
প্রায় পঁচাশি বছর বয়স হয়েছিলো প্রাক্তন রাষ্ট্রপতির।প্রথমে বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পান, যার জেরে মস্তিষ্কে রক্তজমাট বাঁধে। পরে সেনা হাসপাতালে নিয়ে এসে জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচারও করা হয়। তাঁর করোনা সংক্রমণ ঘটেছিল, এমনটাও জানা গেছে। কিন্তু এসব তথ্যে সান্ত্বনা খুঁজে পাচ্ছেন না দেবাশিস বাবু।
প্রণববাবু চলে যাওয়ায় ভারতীয় রাজনীতির অপূরণীয় ক্ষতির পাশাপাশি দেবাশিসবাবুর মতো কেউ কেউ হারিয়ে ফেললেন তাদের খুব কাছের একজন অভিভাবককে।